পোস্ট আর্কাইভস

৭১ এর যুদ্ধাপরাধী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেওয়া সহ রাবি-ঢাবিতে প্রতিবাদ মিছিলে শিবিরের হামলার প্রতিবাদ জানিয়েছে ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা

ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা(বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ, গণমুক্তি ইউনিয়ন, বাংলাদেশের সোস্যালিস্ট পার্টি ও জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চ।)অস্থায়ী কার্যালয়: ২৭/৮/ক, তোপখানা রোড (তৃতীয় তলা), সেগুনবাগিচা, ঢাকা-১০০০। যোগাযোগ: ০১৬৭৬৫১৩৮৪৩। সূত্র :তারিখ : ২৮ মে ২০২৫ খ্রি. সংবাদ বিজ্ঞপ্তি ৭১ এর যুদ্ধাপরাধী মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজহারুল ইসলামকে বেকসুর খালাস দেওয়া সহ রাবি-ঢাবিতে প্রতিবাদ…

বিস্তারিত

ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক কমরেড নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজসহ ২৮ জন মাওবাদী রাজনৈতিক কর্মীর হত্যায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

বাংলাদেশের বিপ্লবী, গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল সংগঠন ও ব্যাক্তিবর্গের বিবৃতি– ভারতের কমিউনিস্ট পার্টি(মাওবাদী)-র সাধারণ সম্পাদক কমরেড নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজসহ ২৮ জন মাওবাদী রাজনৈতিক কর্মীর হত্যায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ গত ২১ মে ২০২৫, হিন্দুত্ববাদী ফ্যাসিস্ট মোদি সরকার কর্তৃক চালিত সামরিক অভিযান “অপারেশন কাগার”র মাধ্যমে হত্যা করা হয়েছে…

বিস্তারিত

ইন্টারিম সরকারের মাধ্যমে যে জামাতে ইসলামী সরকারের অংশীদার হয়েছে, সেটা আমরা ৯ মাস আগেই বলেছিলাম। অনেকে ব্যাপারটাকে বাজে কথা বলে উড়িয়ে দিয়েছিল!

ট্রাইবুনালের প্রধান প্রসিকিউটর হিসাবে যখন জামাতে ইসলামীর লোক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে, তখনই একাত্তরের যুদ্ধপারাধী জামাত নেতাদের ক্ষেত্রে সুবিচার অসম্ভব করে তোলা হয়। জামাত নেতা এটিএম আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখলেই বরং অপ্রত্যাসিত ঘটনা হতো। ইন্টারিম সরকারের মাধ্যমে যে জামাতে ইসলামী সরকারের অংশীদার হয়েছে, সেটা আমরা ৯ মাস আগেই বলেছিলাম।…

বিস্তারিত

মাহমুদুর রহমান এবং আমারদেশ মোজাম্মেল বাবু আর একাত্তরের চেয়েও নিম্নমানের প্রোপাগান্ডিস্ট।

এরা সরাসরি মিথ্যা প্রচারণা চালায়। ফ্যাসিবাদের অন্যতম উপাদান হলো “বড় মিথ্যা” প্রোপাগান্ডা। মাহমুদুর রহমান এবং আমার দেশ পুরানা পাপী। এই ফ্যাসিস্ট প্রচারক খুনের শিকার ব্লগার থাবা বাবার মহানবী বিদ্বেষী পুরনো বক্তব্য পত্রিকায় প্রচার করে শাহবাগবিরোধী ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী উন্মাদনা তৈরীতে মূল ভূমিকা রেখেছিল। এখন বামপন্থীদের শাহবাগী দাগিয়ে উল্টো হামলাকারী…

বিস্তারিত

জুলাই আন্দোলন মূলত ফ্যাসিবাদ ও বৈষম্যের বিপরীতে সমঅধিকারের ভিত্তিতে সুসঙ্গত গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলন। তাই নাদিরাসহ গণতান্ত্রিক ব্যক্তি ও সংগঠনের দাবিগুলো জুলাই আন্দোলনের আকাঙ্ক্ষার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ।

নাদিরা ইয়াসমিন সম্পত্তিতে নারীর সমানাধিকার এবং অভিন্ন পারিবারিক আইনের দাবি করেছিলেন। সকল নাগরিকের সমানাধিকার, সমমর্যাদা তথা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য যা অপরিহার্য শর্ত। নারী অধিকার আন্দোলন সম্পর্কে অবগত এমন সকলেই জানেন, কেবল নাদিরা নয়, এই দাবিগুলি গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলোর বহু পুরোনো দাবি। আমরা জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের নারী বিষয়ক কর্মসূচিতেও…

বিস্তারিত

অন্ধ লোকেও দেখতে পাবে, এখানে যা কিছু ঘটছে, তাতে হাসিনার প্রস্থান ছাড়া আন্দোলনকারী ছাত্র, শ্রমিক, জনতার জন্য কোন প্রাপ্তি নেই।

ভারতের দালাল আওয়ামী লীগ ১৭ বছর দেশটাকে একাই ঠুকরে খেয়েছে। এখন দেশটা পড়েছে নতুন শকুনদের হাতে। নির্বাচন আর সংস্কারের নামে কে কত খাবে তাই নিয়ে চলছে মারামারি। পাওয়ার হাউজগুলো যে যার জোর প্রদর্শন করছে। শেষপর্যন্ত যার জোর যতটুকু- মুল্লুকের ভাগ জুটবে তার ততটুকু। একটা আপাত মীমাংসা বা নতুন…

বিস্তারিত

ফ্যাসিবাদের নবসংস্করণের আবির্ভাব ঠেকাতে হলে সংস্কার নয়, গণবিপ্লব দরকার।

এদেশের আর্থ-সামাজিক কাঠামো; উৎপাদন সম্পর্কের মধ্যেই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরতন্ত্রের ভিত্তি প্রতিষ্ঠিত। ফ্যাসিবাদী রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক-মতাদর্শিক উপরিকাঠামো অর্থনৈতিক ভিত্তিকে সেবা করে। সুতরাং বিদ্যমান উৎপাদন সম্পর্ক এবং তার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ রাষ্ট্র ও রাজনীতির মৌলিক উপাদানগুলো অক্ষুন্ন রেখে, তথাকথিত সংবিধান সভার নির্বাচন ও কিছু আইনী সংস্কারে ফ্যাসিবাদী-স্বৈরতন্ত্রী রাজনৈতিক ব্যবস্থায় থোড়াই আঁচড় কাটতে…

বিস্তারিত

নাদিরা ইয়াসমিন সম্পত্তিতে নারীর সমানাধিকার এবং অভিন্ন পারিবারিক আইনের দাবি করেছিলেন। সকল নাগরিকের সমানাধিকার, সমমর্যাদা তথা গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য যা অপরিহার্য শর্ত।

নারী অধিকার আন্দোলন সম্পর্কে অবগত এমন সকলেই জানেন, কেবল নাদিরা নয়, এই দাবিগুলি গণতান্ত্রিক সংগঠনগুলোর বহু পুরোনো দাবি। আমরা জাতীয় গণতান্ত্রিক গণমঞ্চের নারী বিষয়ক কর্মসূচিতেও এই দাবিগুলো আছে। নাদিরা “হিস্যা” নামে একটি সংকলন প্রকাশ করেছেন, যেখানে নারীর সমানাধিকার প্রশ্নে নানা মতের মানুষ লিখেছেন। সেখানে ধর্মবিদ্বেষপ্রসূত কোন বক্তব্য নেই।…

বিস্তারিত

মার্কিন মদদে সেনা সমর্থিত এক এগারোর সরকারের সময় “সংস্কার”, “জাতীয় সনদ”, ১০ বছরের জন্য “জাতীয় সরকার” এর আওয়াজ উঠেছিল। “তৃতীয় শক্তি” হিসাবে পরিচিতি লাভ করা এনজিও, সিভিল সোসাইটি গঠিত এই সরকারের লক্ষ্য ছিল

হাসিনা-খালেদাকে মাইনাস করে  ড. ইউনুসের নেতৃত্বে জাতীয় সরকার গঠন। এ জন্য ডিজিএফআই-কে দিয়ে জবরদস্তি “সংস্কারপন্থী” নেতাদের দিয়ে কিংস পার্টি গঠনের চেষ্টা করা হয়।   ড. ইউনুসও নাগরিক শক্তি নামে কিংস পার্টি গঠনের উদ্যোগ নিয়ে ব্যর্থ হন। এই ব্যর্থতার মূল কারণ ছিল এই সরকারের ক্ষমতা কেন্দ্রগুলোর (সেনাবাহিনী, এনজিও, সিভিল সোসাইটি,…

বিস্তারিত

ছাত্র, শ্রমিক জনতাই জুলাই আন্দোলনের মূল নায়ক। এই হকার, অটোচালক, শ্রমিকরাই আন্দোলনের লড়াকু যোদ্ধা ছিল।

সেই শ্রমিকরা আজ বেকার হচ্ছে, পাওনার জন্য তাদের লড়াই করতে হচ্ছে। কৃষকরা সিন্ডিকেট-ক্ষুদ্র ঋনের জালে আটকে আত্মহত্যা করছে। সরকারের তাতে মাথা ব্যাথা নেই। এ অবস্থার মধ্যেই সরকার অটোরিক্সা চালক আর হকারদের সামান্য সম্বল ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতায় গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। মানুষের কান্না দেখার সময় সরকারের নেই। কিন্তু ঠিকই, ফ্যাসিস্ট খুনী আওয়ামী…

বিস্তারিত