পোস্ট আর্কাইভস

হাসিনা ফ্যাসিবাদের কারিগররা যখন এনসিপির পৃষ্ঠপোষক হয়, তখন সেটাকে জুলাই আন্দোলনের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা ছাড়া কিভাবে ব্যাখ্যা করা যায়?

সংবাদ সম্মেলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন প্রধান সমন্বয়ক বর্তমান বাগছাস(এনসিপি) নেতা মো. নুর নবী বাগছাস থেকে পদত্যাগ করে বলেন, ❝আমার এই পদত্যাগের পেছনে যেসব কারণ রয়েছে, তা নিম্নরূপভাবে জাতির সামনে উপস্থাপন করছি-যেসব ছাত্রযোদ্ধা আন্দোলনের চূড়ান্ত মুহূর্তে পুলিশি দমন-পীড়ন, মামলা-হামলা সহ্য করে মাঠে ছিলেন, তাদের কোনো স্বীকৃতি দেওয়া হচ্ছে না,…

বিস্তারিত

সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ও প্রশাসনের ব্যর্থতায় ছাত্র গণমঞ্চ গোবিপ্রবি শাখার ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ

ছাত্র গণমঞ্চ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক শান্ত শাহরিয়ার এবং সদস্য সচিব ফয়সাল আহমেদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, গত ৩০ জুলাই বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম ব্যাচের র‍্যাগডে উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবিতে মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে নারীসহ বেশকিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে…

বিস্তারিত

ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে রংপুর গঙ্গাচড়ায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িতেভাঙচুর-লুটপাটের ঘটনায় ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

রংপুর গঙ্গাচড়া ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টি করে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়ি ঘর ভাঙচুর – লুটপাটের ঘটনায় ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার পক্ষ থেকে তীব্র নিন্দা জানিয়ে সংবাদমাধ্যমে এক যুক্ত বিবৃতি প্রদান করেন। ফ্যাসিবাদবিরোদী বাম মোর্চা’র সমন্বয়ক ও গণমুক্তি ইউনিয়নের আহ্বায়ক নাসির উদ্দিন আহমেদ নাসু, বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলনের সমন্বয়ক শুভ্রাংশু চক্রবর্তী, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক…

বিস্তারিত

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র শিবির কর্তৃক দেয়াল লিখন মুছে ফেলার ফ্যাসিবাদী অপকর্মের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের রাকসু ভবনের দেয়ালে আমরা ছাত্র গণমঞ্চ যে দেওয়াল লিখন করেছিলাম—“আওয়ামী বিশ্বাসঘাতকদের উৎখাত কর, তাদের কালো টাকা ও সম্পত্তি জাতীয়করণ কর, তাদের রাজনৈতিক অধিকার হরণ কর, তাদের মধ্যকার ঘৃণ্য খুনীদের চরম শাস্তি প্রদান কর”—তা ছাত্র শিবির কর্তৃক মুছে ফেলা হয়েছে। আমরা এই ফ্যাসিবাদী ও গণতন্ত্রবিরোধী আচরণের তীব্র…

বিস্তারিত

বিমান বিধ্বস্তে হতাহতের প্রকৃত চিত্র তুলে ধরে বিভ্রান্তি দূর করতে হবে

মার্কিনিদের আনুকূল্যের জন্য জনস্বার্থবিরোধী কোনো চুক্তি করে ক্ষমতায় থাকা যাবে না মব সন্ত্রাস ঠেকাতে সরকার শুধু ব্যর্থই নয়, উপরন্তু উৎসাহিত করছে

বিস্তারিত

সরকার দেশে জাতিসংঘ মানবাধিকার হাইকমিশনের (জমহক) দপ্তর খোলার বিষয়ে চুক্তি সম্পাদন করেছে।

আমরা জানি, ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ফসল হাইজ্যাক করে; মার্কিন নেতৃত্বে সাম্রাজ্যবাদের আজ্ঞাবাহী এক-এগারোর তৃতীয় শক্তির নেতৃত্বে ড. ইউনুসের ইন্টারিম সরকার প্রতিষ্ঠার পেছনে; এই কমিশনের একটা বড় ভূমিকা আছে। জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার মি. ফালকার টুর্ক বিবিসিকে বলছিলেন, “আমরা প্রকৃতপক্ষে সেনাবাহিনীকে সতর্ক করি, যদি তারা এতে জড়িত হয়, তার…

বিস্তারিত

আওয়ামী লীগ তার স্বভাবসুলভ কায়দায় এনসিপি সমাবেশে সশস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সহিংসতায় ইতিমধ্যে ৪ জন নিহত হয়েছেন।

সভা-সমাবেশের ওপর এই ফ্যাসিবাদী হামলার আমরা তীব্র নিন্দা জানাই। সেইসাথে সহিংসতা মোকাবেলায় রাষ্ট্রীয় বাহিনীর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগ ও জীবনহানির ঘটনা অমরা মেনে নিতে পারিনা। এই পরিস্থিতির জন্য ভারতের মদদপুষ্ট আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের দায়ি করা যথেষ্ট নয়, এর দায় এই সরকার ও অঘোষিত সরকারি দলগুলোকেও নিতে হবে। গোপালগঞ্জে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে…

বিস্তারিত

বাংলাদেশের শাসক শ্রেণীর চরিত্র কাঠামোগতভাবে ফ্যাসিবাদপ্রবন।

এই শাসক শ্রেণী আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টিসহ নানা রাজনৈতিক উপদলে বিভক্ত। এদের মধ্যে যারাই সরকার গঠন করে তারা আইনের ঊর্ধ্বে চলে যায়। তারা বিরোধী উপদলগুলোর ওপরও এমন নিপীড়ন করে যে দৃশ্যত তাদেরও “মজলুম” মনে হয়। কিন্তু এই দৃশ্যত মজলুমদের প্রকৃত নৃশংস চরিত্র প্রকাশ পায়, যখন তারা…

বিস্তারিত

ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের আগে আমরা এক মগেরমুলুকে বাস করেছি। ন্যায়-নীতি যুক্তি-প্রমাণ আইন-কানুন কিছুরই তোয়াক্কা করত না ছাত্রলীগ। তারা জঙ্গলের নিয়ম চালু করেছিল।

আমরা কি আবার সেই জঙ্গলের নিয়মে ফেরত যেতে চাই? আমরা ক্যাম্পাসে কোনো উপদ্রব চাইনা। জনপরিসরে, একাডেমিকভাবে কোন অসদাচরণ, এমনকি শাস্তিযোগ্য অপরাধের বিরুদ্ধে আইন ও বিধিসঙ্গত ব্যবস্থা আমরা চাই। এমন অসদাচরণ ও অপরাধের বিরুদ্ধে যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ জানিয়ে জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানানো সচেতন ব্যক্তিমাত্রেরই সামাজিক দায়িত্ব। অভিযোগের…

বিস্তারিত

জুলাই অভ্যুত্থানকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বাইনারি অপজিশন দেখা যাচ্ছে। একপক্ষ বলছে জুলাই হল মূলত “ম্যাটিকুলাস ডিজাইন”, কালার রেভল্যুশন; জনগণকে ব্যবহার করা হয়েছে। আরেক পক্ষ বলছে জুলাই মূলত জনগণের সংগ্রাম, এর সুযোগ নিতে ষড়যন্ত্রকারীরা ষড়যন্ত্রের চেষ্টা করবে, এটা খুবই স্বাভাবিক, এই ষড়যন্ত্র নির্ধারক কিছু নয়।

আমরা মনেকরি, এই দুই দৃষ্টিভঙ্গিই একদেশদর্শী। তারা জুলাই অভ্যুত্থানের দ্বৈতচরিত্রকে স্বীকার করেনা। সেগুলো কেবল একটি দিককে সমগ্র হিসাবে উপস্থিত করে এবং দুই প্রতিক্রয়াশীল শিবিরের বয়ানকে জোরদার ও সেবা করে। একাত্তর সত্যিকার অর্থেই স্বাধীনতার লড়াই ছিল, জনগণের লড়াই ছিল। পাকিস্তানের উপনিবেশিক শোষণের অবসান ছিল বিরাট ঐতিহাসিক অর্জন। এটা ছিল…

বিস্তারিত