সেই শ্রমিকরা আজ বেকার হচ্ছে, পাওনার জন্য তাদের লড়াই করতে হচ্ছে। কৃষকরা সিন্ডিকেট-ক্ষুদ্র ঋনের জালে আটকে আত্মহত্যা করছে। সরকারের তাতে মাথা ব্যাথা নেই। এ অবস্থার মধ্যেই সরকার অটোরিক্সা চালক আর হকারদের সামান্য সম্বল ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুরতায় গুঁড়িয়ে দিচ্ছে। মানুষের কান্না দেখার সময় সরকারের নেই।
কিন্তু ঠিকই, ফ্যাসিস্ট খুনী আওয়ামী লীগাররা গোপনে বিদেশে পাঠাচ্ছে সরকার। জামাত, শিবির, এনসিপির মত কিংস পার্টিগুলোর বাইরে ছাত্র, শিক্ষক, জাতিসত্ত্বা, অটো চালক কিংবা শ্রমিকদের যে কোন আন্দোলনে রাষ্ট্রীয় বাহিনীগুলো পুরনো ফ্যাসিবাদী কায়দায় হামলা জখম গ্রেফতার করেই চলেছে। এই সেই পুলিশ যারা ছিল হাসিনার গণহত্যার দোসর, তারা বহাল রয়েছে এবং একই রকম হিংস্রতা নিয়ে ইন্টারিমের পক্ষে গণ দমনে ঝাঁপিয়ে পড়ছে।
ইউনুসের ইন্টারিম সরকার রাষ্ট্র সংস্কারের নামে এক এগারোর তৃতীয় শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। যার লক্ষ্য ছিল মার্কিন-ভারতের দালালদের ক্ষমতাসীনদের একচেটিয়াতান্ত্রিক রাষ্ট্র ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার ভারসাম্যপূর্ণ প্রতিযোগিতামূলক পুনর্গঠন, যাতে রাষ্ট্রের মালিক সকল দালালরাই ক্ষমতা ও লুটপাটের ভারসাম্যপূর্ণ হিস্যা লাভ করে।
অন্যদিকে, সরকার নির্বাচনের আগে তাড়াহুড়ো করে আরাকান করিডর, বন্দরের মত রণনৈতিক গুরুত্ববহ অবকাঠামো বিদেশিদের হাতে তুলে দেয়ার চক্রান্ত করছে, যা তাদের এখতিয়ারের মধ্যেও পড়ে না।
এভাবে মার্কিন এজেন্ডা বাস্তবায়নের মধ্যদিয়ে ইউনুস বাংলার কারজাই হিসাবে স্বরূপে আবির্ভূত হচ্ছে।
এসবের বিরুদ্ধে ছাত্র, শ্রমিক, জনতার প্রতিবাদ- প্রতিরোধ ছোট ছোট ঢেউয়ের মত আছড়ে পড়ছে এবং তা তীব্রতর হবে।
প্রতিবাদ-প্রতিরোধের মধ্যে আমাদের আজ এই প্রশ্ন প্রবলভাবে তাড়া করছে যে, বারবার জনগণের সংগ্রামের ফসল গণশত্রুদের গোলাতেই কেন ওঠে? সমস্যাটা কোথায় যা আমরা সনাক্ত ও সমাধান করতে পারছি না? যার সমাধান আমাদের ক্রমব্যর্থতার ইতি টানতে পারে?
এই প্রশ্নের একটা বিজ্ঞানভিত্তিক জবাব আমরা অনুসন্ধান করেছি, “ফ্যাসিবাদের পুনরাবর্তন অথবা মুক্তি” শিরোনামের আলোচনাপত্রে।
যারা এই প্রশ্নগুলোর জবাব খুঁজছেন তাদের সাথে আমরা মতবিনিময়ে আগ্রহী। আশাকরি, আপনারা আমাদের সাথে যোগাযোগ করবেন।

