অন্ধ লোকেও দেখতে পাবে, এখানে যা কিছু ঘটছে, তাতে হাসিনার প্রস্থান ছাড়া আন্দোলনকারী ছাত্র, শ্রমিক, জনতার জন্য কোন প্রাপ্তি নেই।

ভারতের দালাল আওয়ামী লীগ ১৭ বছর দেশটাকে একাই ঠুকরে খেয়েছে। এখন দেশটা পড়েছে নতুন শকুনদের হাতে।

নির্বাচন আর সংস্কারের নামে কে কত খাবে তাই নিয়ে চলছে মারামারি। পাওয়ার হাউজগুলো যে যার জোর প্রদর্শন করছে। শেষপর্যন্ত যার জোর যতটুকু- মুল্লুকের ভাগ জুটবে তার ততটুকু। একটা আপাত মীমাংসা বা নতুন বন্দোবস্তে পৌঁছানোর আগে এই মল্লযুদ্ধ ছিল অপরিহার্য। চলমান অস্থিরতা তারই প্রকাশ।

কিন্তু শকুনিদের মল্লযুদ্ধ বা নতুন বাঁটোয়ারায় শিকারের কি এসে যায়?!

এদের পেছনে লড়া আমাদের কাজ নয়। তাহলে বারবার একই পরিণতিই আমাদের জন্য অপেক্ষা করবে। অপেক্ষা করবে আত্মবিনাশী হতাশা।

তাই লড়াইয়ের আগে লড়াইয়ের লক্ষ্যটা পরিষ্কার থাকা চাই। চাই প্রখর শত্রু-মিত্র ভেদ জ্ঞান।

আগামী লড়াইকে অপারেজেয় করে তোলার জন্য, আসুন, “ফ্যাসিবাদ অথবা মুক্তি”-র আলোচনা সূত্র ধরে একটা সিরিয়াস, বিজ্ঞানভিত্তিক বোঝাপড়া গড়ে তুলি।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন