ট্রাইবুনালের প্রধান প্রসিকিউটর হিসাবে যখন জামাতে ইসলামীর লোক নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছে, তখনই একাত্তরের যুদ্ধপারাধী জামাত নেতাদের ক্ষেত্রে সুবিচার অসম্ভব করে তোলা হয়। জামাত নেতা এটিএম আজহারের মৃত্যুদণ্ডের রায় বহাল রাখলেই বরং অপ্রত্যাসিত ঘটনা হতো।
ইন্টারিম সরকারের মাধ্যমে যে জামাতে ইসলামী সরকারের অংশীদার হয়েছে, সেটা আমরা ৯ মাস আগেই বলেছিলাম। অনেকে ব্যাপারটাকে বাজে কথা বলে উড়িয়ে দিয়েছিল!
আমরা বলেছিলাম জামাতের ক্ষমতায়নের জন্য জনগণ লড়াই করেনি। এখন বলতে হচ্ছে, একাত্তরের গণহত্যাকারীদের মৃত্যুদণ্ড রদ করার জন্য জনগণ আন্দোলন করেনি। এই সরকার জুলাই আন্দোলনের সাথে বিশ্বাসঘাতকতার ওপরেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই রায় তার আরেকটা প্রমাণ।
এই বিশ্বাসঘাতকতার জবাব বাংলাদেশ দেবে।

