কাঠামোগত হত্যার মিছিল : আবারও ৮ গার্মেন্টস শ্রমিককে পুড়িয়ে মারা হলো!
“যখন কোনো ব্যক্তি অন্য কোনো ব্যক্তির শরীরে এমন আঘাত করে যার ফলে তার মৃত্যু ঘটে, তখন আমরা সেই কাজটিকে নরহত্যা (manslaughter) বলি; আর আক্রমণকারী যদি আগে থেকেই জানত যে এই আঘাতের ফলে মৃত্যু নিশ্চিত, তবে আমরা তার এই কাজটিকে খুন বা হত্যা (murder) বলি। কিন্তু সমাজ যখন শত শত সর্বহারা শ্রমিককে এমন এক অবস্থায় ঠেলে…
★ সাভারে ওরস বন্ধ করার দাবি অগণতান্ত্রিক!★ ভিন্ন ধর্মমতের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হোন!★ রাজনৈতিক সমর্থন ও সুবিধার বিনিময়ে ওহাবি-সালাফি ফ্যাসিবাদের প্রতি সরকারের মদদ প্রদান বন্ধ করতে হবে!
সিলেটে নৌকাবাইচ বন্ধের আওয়াজ তুলেছিল হেফাজতে ইসলাম আঞ্জুমান সংশ্লিষ্টরা। তারা রাজনৈতিকভাবে শক্তিশালী নয়। তাই দেখা গেল সহজেই তাদের দাবি নাকচ করে দিতে পেরেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তার এক ধমকেই তারা সুর নরম করে সমঝোতা করে নিয়েছে। কিন্তু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পুলিশ লাইনে কনসার্ট বন্ধে হামলায় জড়িত ছাত্রদের মাদ্রাসাটির প্রধান হলেন হেফাজতে ইসলাম বাবুনগরী অংশের গুরুত্বপূর্ণ নেতা। সভারে…
৮ আগস্ট “কালো দিবস” পালন করুন!
গত ৮ আগস্ট, ২০২৪ ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানের ফল বেহাত হওয়ার দিন। এদিন বিশ্বাসঘাতকতার আরেক কালো অধ্যায় রচিত হয়েছিল। আমরা বাংলাদেশের শোষিত নিপীড়িত জনগণ ফ্যাসিবাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থানে জীবন ও রক্ত দিয়ে অদম্য সংগ্রামের মাধ্যমে ভারতের দালাল হাসিনাসহ আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের বিতারিত করেছি। ৫ আগস্ট ছাত্র শ্রমিক জনতার অভ্যুত্থানে বিজয়ের দিনে পরিণত করেছি। কিন্তু, গত ৮ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের সাথে সম্পর্কহীন…
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ও জুলাই শহীদদের স্মরণে
“ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান, হাসিনা ফ্যাসিবাদের পতন রাষ্ট্রের সাম্রাজ্যবাদী সংস্কারের নতুন চেষ্টা আমলা-দালাল পুঁজিবাদের সংকট মোকাবেলার জন্যই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের উদ্ভব হয়েছিল। আবার ফ্যাসিবাদ তার প্রকৃতি অনুযায়ী বৃহত্তর সংকট ডেকে এনে বিস্ফোরিত হয়েছে। সার্বিক সংকটের কারণে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে জনগণের ক্ষোভ চূড়ান্ত আকার ধারণ করেছিল। কিন্তু তা প্রকাশের অবলম্বন পাচ্ছিল না। না ছিল কোন শক্তিশালী গণমুখী সংগঠন, না…
ক্যাম্পাসে দখলদারিত্ব ও বুর্জোয়া-প্রতিক্রিয়াশীল সংঘাতের বিরুদ্ধে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ঐক্য গড়ে তুলুন!
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা কলেজ, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদিতে রাজনৈতিক ছাত্রসংগঠনগুলো ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যকার সহিংস ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, হামলা ও রক্তক্ষয়ী সংঘাতের ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। শিক্ষার্থীদের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে অর্জিত অভ্যুত্থানের পর যেখানে ক্যাম্পাসগুলোতে সুস্থ রাজনৈতিক চর্চা, গণমুখী শিক্ষানীতি, গবেষণার পরিবেশ, এবং শতভাগ আবাসিকতার দাবি জোরদার হওয়ার কথা…
আওয়ামী ফ্যাসিবাদী মতাদর্শের শিক্ষকদের নির্বিচারে বহিষ্কার- শাস্তি প্রদান নয়, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জেঁকে বসা ফ্যাসিবাদী চক্রগুলো নির্মূল করতে হবে।
নির্বিচারে আওয়ামী ফ্যাসিবাদী মতাদর্শের শিক্ষকদের বহিঃষ্কার ও শাস্তি প্রদান করা সুবিচার বা জাস্টিস প্রতিষ্ঠা করবে না। যেসব শিক্ষক আওয়ামী শাসনামলে ফ্যাসিবাদের পান্ডা হিসাবে, বয়ান তৈরী করে নানাভাবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছে, অন্যয্য সুবিধা গ্রহণ করেছে, তদন্ত সাপেক্ষে তাদের যথোচিত বিচার ও শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জেঁকে বসা ফ্যাসিবাদী চক্রগুলো নির্মূল করা গণতান্ত্রিক কর্তব্য। তবে…
একাত্তরে এদেশের ধর্মপ্রাণ মানুষ আপনাদের ধর্মবাদী ফ্যাসিবাদী রাজনীতিকে একবার পরাজিত করেছে, প্রয়োজনে আবারো করবে।
আপনার মতে পাকিস্তানের গণহত্যা “বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিহারী গণহত্যার ফল”। বিহারী-বাঙালী মূল দাঙ্গা ঘটেছিল মূলত ৩ থেকে ৫ মার্চ পর্যন্ত। যা ছিল ১ লা মার্চ গণপরিষদের অধিবেশন স্থগিতের ঘোষণার তৈরী বিস্ফোরিত ক্ষোভ ও গণ অভ্যুতথানের প্রতিক্রিয়া- ২৪-এর অভ্যুত্থানে পুলিশ হত্যার মতই ঘটনা। ২৩ মার্চের দৈনিক সংগ্রামেও দেশের পরিস্থিতির জন্যে পশ্চিমাদের নিপীড়ন-বঞ্চনাকেই কারণ হিসাবে বলা হয়েছে, “বিহারী গণহত্যার”…
যখন কোন সমাজ ও রাষ্ট্র উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, তখন তরুণরা ঝুঁকি নিতে বাধ্য হয়।
যখন কোন সমাজ ও রাষ্ট্র উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা দিতে পারে না, তখন তরুণরা ঝুঁকি নিতে বাধ্য হয়। বাংলাদেশের মত নয়া উপনিবেশিক সস্তা শ্রমের অর্থনীতিতে উন্নত জীবনের নিশ্চয়তা দেয়ার মত কর্মসংস্থান হয় না। ফলে আমাদের সন্তানরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফেলে। এটা এই সামাজিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থার এক বিষাক্ত ফল। এই ব্যবস্থাই আমাদের সন্তানদের হত্যা করে সমুদ্রে সমাধিস্থ করে…
আমরা কমরেড সিরাজ সিকদারের রাজনীতিকে ধারন করি। একাত্তরে ভারতে আশ্রয় গ্রহণকারী আওয়ামীলীগ নেতারা যে ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের কোলে আশ্রয় নিয়েছিল, তা আমরা জানি এবং মানি। কিন্তু পরবর্তীকালে সংঘটিত ভারতীয় আগ্রাসন কি নিজে থেকেই পাক ফ্যাসিস্টদের পূর্ববর্তী উপনিবেশিক শোষণ-নিপীড়ন ও গণহত্যাকে জাস্টিফাই করে?
মার্চের গণহত্যার পর আওয়ামী লীগের প্রতি অবিলম্বে (৩১ মার্চ) ভারত রাজনৈতিক সমর্থন জানালেও সামরিক সাহায্য দিয়েছিল বেশ পরে। এপ্রিলের মধ্যভাগে দেশের ভেতরে স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিরোধ ভেঙ্গে পড়েছিল এবং তারপরই ব্যাপকভাবে আওয়ামী লীগ নেতারা ভারতে পালায়। ইন্দিরা মানেকশকে ঢাকা আক্রমণের বিষয়ে আলাপ করেছিলেন ২৭-২৯ এপ্রিল। ভারত থেকে সামান্য প্রশিক্ষণ ও অস্ত্র নিয়ে ২ হাজারের মত গেরিলার প্রথম…
