এরা সরাসরি মিথ্যা প্রচারণা চালায়। ফ্যাসিবাদের অন্যতম উপাদান হলো “বড় মিথ্যা” প্রোপাগান্ডা। মাহমুদুর রহমান এবং আমার দেশ পুরানা পাপী। এই ফ্যাসিস্ট প্রচারক খুনের শিকার ব্লগার থাবা বাবার মহানবী বিদ্বেষী পুরনো বক্তব্য পত্রিকায় প্রচার করে শাহবাগবিরোধী ধর্মীয় ফ্যাসিবাদী উন্মাদনা তৈরীতে মূল ভূমিকা রেখেছিল। এখন বামপন্থীদের শাহবাগী দাগিয়ে উল্টো হামলাকারী হিসাবে প্রচার করে, তাদের ওপর ফ্যাসিস্ট হামলার ন্যায্যতা সৃষ্টি করছে। এটাকে বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভাববার কারণ নেই। তাদের এই প্রজেক্ট চলবে।
ফ্যাসিবাদ জনপ্রিয় মিথ্যা প্রচারের মধ্যদিয়ে জনমনে মোহ সৃষ্টি করে। আওয়ামী বাঙালি উগ্রজাতীয়তাবাদী ফ্যাসিবাদ কিংবা জামাত-হেফাজতের ধর্মীয় ফ্যাসিবাদ, মূলত বিদেশী শক্তির দালাল শাসক বড় ধনী শ্রেণীর দুই উপদলের স্বার্থের সেবা করে। মোজাম্মেল বাবু, মাহমুদুর রহমানরা হলো তাদের গোয়েবলস। জনগণের প্রতি আহ্বান এদের খপ্পর থেকে নিজেকে মুক্ত রাখুন, এদের উন্মোচন করুন।
(উল্লেখ্য, শাহবাগ আন্দোলন আওয়ামী সরকারের একাত্তরের গণহত্যার দোসরদের বিচারিক প্রহসনের বিরুদ্ধে ন্যায়সঙ্গত দাবিতে গড়ে উঠেছিল। কিন্তু অচিরেই আওয়ামী লীগ কৌশল পাল্টে এ আন্দোলনকে জামাতবিরোধী দাবির অভিমুখে চালিত করে নিজের ফ্যাসিবাদী বয়ান প্রতিষ্ঠার কাজে লাগায়। যে কারণে আমরা এই আন্দোলনে অংশগ্রহণ করিনি। এমন কি হেফাজতের ওপর হামলা ও ব্যাপক হত্যাকান্ডের বিরুদ্ধে আমরাই প্রথম রাস্তায় নামি। সুতরাং আমাদের শাহবাগী, হেফাজতবিরোধী, লীগের দোসর বলে সনাক্ত করে লাভ হবে না।)

