ফ্যাসিবাদী রাঘব-বোয়ালরা গ্রিন সিগনাল পেয়ে পালাচ্ছে। অথচ ফ্যাসিবাদবিরোধী মূলশক্তি শ্রমিকরা যখন পাওনা টাকার আশ্বাস বারংবার বরখেলাফ হওয়ায় আন্দোলনে নামে তখন সরকার ফ্যাসিস্ট হাসিনার মতই পুলিশ লেলিয়ে দেয়।

ফ্যাসিবাদী রাঘব-বোয়ালরা গ্রিন সিগনাল পেয়ে পালাচ্ছে। অথচ ফ্যাসিবাদবিরোধী মূলশক্তি শ্রমিকরা যখন পাওনা টাকার আশ্বাস বারংবার বরখেলাফ হওয়ায় আন্দোলনে নামে তখন সরকার ফ্যাসিস্ট হাসিনার মতই পুলিশ লেলিয়ে দেয়। এটাই শাসক শ্রেণীর ‘শ্রেণী একতা’। তাদের নতুন বন্দোবস্তের স্বরূপ এখানেই প্রকাশিত হচ্ছে। শ্রমিক-কৃষক-জনগণের অভ্যুত্থানের সাথে এই বেঈমানীর জবাব একদিন এই ইন্টারিম…

বিস্তারিত

৫ মে ২০১৩ হাসিনার ফ্যাসিস্ট বাহিনী হেফাজতে ইসলামের লক্ষ লক্ষ লোকের সমাবেশে রাতের অন্ধকারে বর্বর হামলা ও হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করেছিল।

৫ মে ২০১৩ হাসিনার ফ্যাসিস্ট বাহিনী হেফাজতে ইসলামের লক্ষ লক্ষ লোকের সমাবেশে রাতের অন্ধকারে বর্বর হামলা ও হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করেছিল। নিরপেক্ষ হিসাবে কয়েকজন পুলিশসহ অন্তত ৫৮ থেকে ৬১ জন হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন। ক্ষমতা আঁকড়ে ধরে রাখতে গণসমাবেশের ওপর এই হামলা ছিল আওয়ামী ফ্যাসিকরণের এক মাইল ফলক। হেফাজতে ইসলামের…

বিস্তারিত

সকল দেশের সর্বহারা, নিপীড়িত জাতি ও জনগণ- এক হও!

মহান মে দিবসের আহ্বান: প্যালেস্টাইন, ইউক্রেনসহ সাম্রাজ্যবাদী তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রস্তুতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হও, রুখে দাঁড়াও! সাম্রাজ্যবাদ, পুঁজিবাদ, ফ্যাসিবাদ ও প্রতিক্রিয়াশীলদের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণীর নেতৃত্বে দেশে দেশে বিপ্লবী সংগ্রাম জোরদার কর! ভারতে অপারেশন কাগারসহ, প্যালেস্টাইন, বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাপী বিপ্লব ও জনগণের ওপর পরিচালিত গণহত্যা ও দমন-পীড়ন রুখে দাঁড়াও! ‘আরাকান…

বিস্তারিত

বুর্জোয়া রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করুন! শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে শোষিত নিপীড়িত  জাতি ও জনগণের রাষ্ট্র-ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করুন!

দুনিয়ার মজদুর এক হও!মহান মে দিবসের ডাক-বুর্জোয়া রাজনীতি ও রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রত্যাখ্যান করুন!শ্রমিক শ্রেণির নেতৃত্বে শোষিত নিপীড়িত জাতি ও জনগণের রাষ্ট্র-ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম বেগবান করুন!১লা মে, বৃহস্পতিবার, সকাল ১১টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে মে দিবসের সমাবেশ ও মিছিলে যোগ দিন, সফল করুন!   আওয়াজ তুলুন- মহান মে দিবস উদ্যাপন পরিষদ…

বিস্তারিত

সংস্কারপন্থীরা ( মার্কিন-ইউরো সাম্রাজ্যবাদ সমর্থিত তৃতীয় শক্তির সরকার, এনসিপি ও অন্যান্য) চাইছে বিদ্যমান “উইনারস টেক অল” সরকার ব্যবস্থার সংস্কার।

সংস্কারপন্থীরা ( মার্কিন-ইউরো সাম্রাজ্যবাদ সমর্থিত তৃতীয় শক্তির সরকার, এনসিপি ও অন্যান্য) চাইছে বিদ্যমান “উইনারস টেক অল” সরকার ব্যবস্থার সংস্কার। তাই সরকার ব্যবস্থার সমস্ত স্তরে শাসক শ্রেণীর বিভিন্ন উপদলের মধ্যে অন্তত সমানুপাতিক ক্ষমতার বণ্টনের বন্দোবস্ত তারা চায়। কিন্তু শাসক শ্রেণীর একক বড় দল হিসাবে বিএনপি এভাবে ক্ষমতা বিলিয়ে দেয়ার…

বিস্তারিত

২৪ এপ্রিল রানাপ্লাজা শ্রমিক গণহত্যার প্রতিবাদে সোচ্চার হোন!

(পুরনো দলিল থেকে) বন্ধুগণ, গত ২৪ এপ্রিল রানাপ্লাজায় তিন হাজারের অধিক শ্রমিককে কনক্রিটের নীচে পিষে-থেঁতলে জীবন্ত কবর দেয়া হয়েছিল। আমরা যখন এ দিনটি স্মরণ করছি- তখন হাজার হাজার আহত শ্রমিক দুর্বিসহ জীবন যাপন করছে আর স্বজনেরা খুঁজে ফিরছে মৃত শ্রমিকের লাশ । রানাপ্লাজা গড়ে তোলা হয়েছিল হিন্দু সম্প্রদায়ের…

বিস্তারিত

বাম-প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্যোগে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে “মহান মে দিবস উদযাপন পরিষদ-২০২৫” গঠন

রবিবার ২০ এপ্রিল’২৫ বিকেল ৩টায় ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চার অস্থায়ী কার্যালয় আ ফ ম মাহবুবুল হক মিলনায়তনে মহান মে দিবস উদযাপন উপলক্ষে বিভিন্ন বাম প্রগতিশীল রাজনৈতিক দলের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বাম মোর্চার সমন্বয়ক গণমুক্তি ইউনিয়নের আহবায়ক নাসির উদ্দিন আহম্মদ নাসুর সভাপতিত্বে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের সাম্যবাদী আন্দোলন কেন্দ্রীয় পাঠচক্র…

বিস্তারিত

এই যে কৃষক, শ্রমিক, ভোক্তা মারা অর্থনীতিটা– তার কিন্তু কোন সংস্কার হবে না। এই লুটের মালের নতুন ভাগ-বাঁটোয়ারা নিয়ে সংস্কার হবে।

এই ‘বন্দোবস্তের” জন্য জনগণ প্রাণ দেয় নাই। লড়ব আমরা, মরব আমরা, আর ক্ষমতা নেবে “নেপোয়”–এই ধারা পাল্টাতে হবে। নইলে জনগণের মুক্তি নেই। জনগণের মুক্তির জন্য স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক ব্যবস্থার সুস্পষ্ট কর্মসূচির ভিত্তিতে জনগণের হাতে ক্ষমতা আনার নতুন পথ চাই। সে লক্ষ্য অর্জন করতে হলে স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যুত্থানকারী নয়,…

বিস্তারিত

রাষ্ট্রযন্ত্রের মালিক পুরোনো শাসক শ্রেণী। সরকার বদল হলে শাসক শ্রেণীর এক পক্ষ গিয়ে আরেক পক্ষ রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার ম্যানেজারের দায়িত্ব লাভ করে মাত্র।

রাষ্ট্রযন্ত্রের মালিক পুরোনো শাসক শ্রেণী। সরকার বদল হলে শাসক শ্রেণীর এক পক্ষ গিয়ে আরেক পক্ষ রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার ম্যানেজারের দায়িত্ব লাভ করে মাত্র। ফলে জনগণের সাথে দমন-পীড়নের কৌশল ও মাত্রায় পার্থক্য থাকলেও, মৌলিক পার্থক্য থাকে না। ফলে যে শিক্ষার্থীরা বুকের রক্ত দিয়ে গণঅভ্যুত্থান ঘটালো, ইন্টারিম সরকারের পরিচালিত শাসক শ্রেণীর…

বিস্তারিত

সত্যিকার অর্থে প্রগতিশীল শিক্ষার্থীদের জোট কেন দরকার?

এইযে এজন্য…এটা ২০১৭তে হয়েছিল, তখন পশ্চিমে শুধু গুটিকয়েক স্টুডেন্ট অর্গানাইজেশন, ক্যাম্পাস এসব নিয়ে সোচ্চার ছিল, যারা সোচ্চার ছিল তাদেরকেও “আজাইরা বাম” তকমা দিয়ে দমায় রাখা হতো, খারিজ করে দেওয়া হতো। আর বাদামি চামড়ার মুসলিম হলে তো ডাইরেক্ট জঙ্গি। সে সময়ের প্রগতিশীলদের অপারগতা আজকে এখানে আমাদের নিয়ে আসছে। এখন…

বিস্তারিত