রাষ্ট্রযন্ত্রের মালিক পুরোনো শাসক শ্রেণী। সরকার বদল হলে শাসক শ্রেণীর এক পক্ষ গিয়ে আরেক পক্ষ রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার ম্যানেজারের দায়িত্ব লাভ করে মাত্র।

রাষ্ট্রযন্ত্রের মালিক পুরোনো শাসক শ্রেণী। সরকার বদল হলে শাসক শ্রেণীর এক পক্ষ গিয়ে আরেক পক্ষ রাষ্ট্রযন্ত্র পরিচালনার ম্যানেজারের দায়িত্ব লাভ করে মাত্র। ফলে জনগণের সাথে দমন-পীড়নের কৌশল ও মাত্রায় পার্থক্য থাকলেও, মৌলিক পার্থক্য থাকে না। ফলে যে শিক্ষার্থীরা বুকের রক্ত দিয়ে গণঅভ্যুত্থান ঘটালো, ইন্টারিম সরকারের পরিচালিত শাসক শ্রেণীর রাষ্ট্রযন্ত্র প্রায় হাসিনার মতই দমন-পীড়ন চালাচ্ছে। কিন্তু শেষপর্যন্ত জনগণ এদের মোকাবেলা করার শক্তি রাখে, ইতিহাস তার সাক্ষী। কেবল সংগ্রামের লক্ষ্যটা বদলাতে হবে। শাসক শ্রেণীর মধ্যে সরকার বদলে সংগ্রাম সীমাবদ্ধ রাখা যাবে না। সংগ্রামের লক্ষ্যটাহতর হবে মার্কিন-ভারতের দালাল শাসক শ্রেণী ও তার রাষ্ট্রযন্ত্রের ক্ষমতা বিলুপ্ত করা; জনগণের ক্ষমতার আধার হিসাবে নতুন রাষ্ট্র ও তার ম্যনেজার হিসাবে গণসরকার প্রতিষ্ঠা করা। তাহলেই মুক্তি।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন