সাংস্কৃতিক সন্ধ্যায় গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ও প্রশাসনের ব্যর্থতায় ছাত্র গণমঞ্চ গোবিপ্রবি শাখার ক্ষোভ ও নিন্দা প্রকাশ

ছাত্র গণমঞ্চ গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার আহ্বায়ক শান্ত শাহরিয়ার এবং সদস্য সচিব ফয়সাল আহমেদ এক যৌথ বিবৃতিতে জানান, গত ৩০ জুলাই বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯ম ব্যাচের র‍্যাগডে উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে গোবিপ্রবিতে মধ্যরাতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষে নারীসহ বেশকিছু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু শিক্ষার্থী এর সাথে ডিপার্টমেন্টকে জড়িয়ে ফেলে। ক্রমশ তা শেখ রাসেল ও বিজয় দিবস হলের মধ্যে মুহুর্তেই ছড়িয়ে পড়ে। নিউমার্কেট সংলগ্ন দোকানপাটে আক্রমণ চালানো হয়, শেখ রাসেল হলে ভাঙচুর চালানো হয়। পরে হলে থাকা শিক্ষার্থীরা বিক্ষুব্ধ হয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ ভাঙচুর করে। ফলশ্রুতিতে র‍্যাগডের ৩১ জুলাইয়ের কন্সার্ট বাতিল করা হয়। এ নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে, ক্যাম্পাসে আজও থমথমে ও অনিরাপদ পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

তারা আরও বলেন, ক্যাম্পাসে এতদিন যাবৎ যারা মব ভায়োলেন্স করে আসছে, সেই সকল শিক্ষার্থীদেরই কালকের এই সংঘর্ষের মদদ এবং নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে । কিন্তু বিগত সকল ঘটনাসহ গতদিনের অপ্রীতিকর ঘটনাতেও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে দেখা যায়নি । এ ব্যর্থতার দায়ভার গোবিপ্রবি প্রশাসন এড়াতে পারে না। আজকের পরিস্থিতি বিশ্লেষণে বোঝা যাচ্ছে এই সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে আবারও অস্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি হতে পারে, আবারও অস্ত্রের ঝনঝনানি দেখতে হতে পারে। এই পরিস্থিতি থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করতে এবং নিরাপদ গণতান্ত্রিক ক্যাম্পাস নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে জরুরিভিত্তিতে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। হামলায় জড়িতদের তদন্তপূর্বক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে।

বার্তা প্রেরক
জয় ঘোষ
দপ্তর সচিব
ছাত্র গণমঞ্চ-গোবিপ্রবি শাখা

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন