এই শাসক শ্রেণী আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জামাত, জাতীয় পার্টিসহ নানা রাজনৈতিক উপদলে বিভক্ত। এদের মধ্যে যারাই সরকার গঠন করে তারা আইনের ঊর্ধ্বে চলে যায়। তারা বিরোধী উপদলগুলোর ওপরও এমন নিপীড়ন করে যে দৃশ্যত তাদেরও “মজলুম” মনে হয়। কিন্তু এই দৃশ্যত মজলুমদের প্রকৃত নৃশংস চরিত্র প্রকাশ পায়, যখন তারা সরকারি ক্ষমতার ছায়ায় আশ্রয় পেতে শুরু করে। অনেকেই সরকারি দলের প্রকাশ্য ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামের সময় শাসক শ্রেণীর সরকারবহির্ভূত উপদলগুলোকে “মজলুম” হিসাবে হাজির করেন, তাদের উন্মোচন করেন না। প্রধান শত্রুর বিরুদ্ধে কৌশলগত লড়াইয়ের সময় সামগ্রিক লড়াইয়ের দিশাকে জলাঞ্জলি দেন। এই লেজুড়বৃত্তির ফলে জনগণের রাজনীতিটা আর দাঁড়ায় না।



