ডাকসু নির্বাচন ২০২৫-এ ছাত্র গণমঞ্চের অবস্থান তুলে ধরার জন্য আয়োজিত
সংবাদ সম্মেলনের বক্তব্য
২১ আগস্ট, ২০২৫।
বৃহষ্পতিবার। সকাল ১১টা। মধুর ক্যান্টিন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।
প্রিয় সাংবাদিকবৃন্দ ও উপস্থিত বন্ধুগণ,
আজকের সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হবার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ জানিয়ে শুরু করছি।
এক রক্তক্ষয়ী আপোষহীন সংগ্রামের মাধ্যমে ছাত্র জনতার গণঅভ্যুত্থানে আওয়ামী ফ্যসিবাদকে বিতাড়িত করার এক বছরের মাথায় আজ আবারো ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফ্যাসিবাদবিরোধী এ গণঅভ্যুত্থানের মূল উদ্দেশ্য ছিল ফ্যাসিবাদ বিলোপ করে ব্যাপক ছাত্র জনতার গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করা। কিন্তু, ছাত্র সংসদ নির্বাচন আয়োজিত হলেও অতীতের মত এখনও বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের হাতে ব্যাপকতর গণতান্ত্রিক ক্ষমতা আনার কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। বরং, তার বিপরীতে অগণতন্ত্র, দলীয়করণ, ফ্যাসিকরণের নানান উদ্যোগ ও প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। অথচ, শিক্ষার্থী জনতার হাতে ব্যাপকতর ক্ষমতার ভিত্তিতে গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া শিক্ষার্থীদের নিজেদের পথে সমস্যা-সংকটের সমাধান ও অধিকার প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়। সুতরাং, ডাকসু নির্বাচনেও কার্যকরভাবে গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিষয়কেই ব্যাপক শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে প্রধান মনোযোগের বিষয়ে পরিণত করা আবশ্যক। এই বিবেচনায় ডাকসু নির্বাচন ২০২৫ সামনে রেখে ছাত্র গণমঞ্চের পক্ষ থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক সংস্কারের প্রস্তাব আমরা তুলে ধরছি।
★বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক সংস্কার প্রসঙ্গে ছাত্র গণমঞ্চের প্রস্তাব
বন্ধুগণ,
করের টাকায় পরিচালিত পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলি জাতীয় প্রতিষ্ঠান। সত্যিকার অর্থে, আমরা কেমন সমাজ গড়ে তুলেছি ও তুলতে চাই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো সে অভিমুখও নির্দেশ করে। তাই সমগ্র সামাজিক-রাজনৈতিক বাস্তবতার সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের সংকট ও সমাধানও অবিচ্ছেদ্য।
অতএব, বিশ্ববিদ্যালয়ের সমস্যাকে কেবল ব্যক্তিগত সুযোগ-সুবিধা-স্বাচ্ছন্দের মানদন্ডে বিচার করা ঠিক হবে না। যদিও মশক নিধন থেকে আবাসন শিক্ষার্থীদের সংকটের যেন শেষ নেই। কিন্তু সংসদ নির্বাচনকালে এসব সমাধানের গালভরা প্রতিশ্রুতি দিতে আমরা আগ্রহী নই। তার চেয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের গণতান্ত্রিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। কারণ ফ্যাসিস্ট ক্ষমতাধরদের অধীনে জম্বি-জীবনের ক্লেদ আমরা ভুলে যেতে পারিনা।
আমরা মনে করি, বিশেষ গোষ্ঠীর দলীয়করণ-ফ্যাসিকরণের বিষ প্রতিষেধক হলো ”শিক্ষার্থীদের হাতে ক্ষমতা”। ২৪ তার এক ঝলক মাত্র। এই ক্ষমতা স্থায়ী করতে হবে। এই ক্ষমতা থাকলে, আমাদের যা কিছু সমস্যা, তা আমরা নিজেরাই সহজে সমাধান করতে পারব, অন্যথায় নয়। ভুলবেন না, সমস্যা-সমাধান দূর অস্ত; জম্বিদের কোন অভিপ্রায় থাকতে নেই! কাজেই, ডাকসু নির্বাচন ২০২৫- এ নতুন গণতান্ত্রিক সমাজের যাত্রা শিক্ষার্থীদের ব্যাপকতর গণতান্ত্রিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার অভিপ্রায় থেকেই শুরু হোক!
সুতরাং, শিক্ষার্থীদের হাতে গণতান্ত্রিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠার ২২ দফা কর্মসূচিসহ আমরা আহ্বান করছি:
★ দলীয়করণ-ফ্যাসিকরণ রুখতে শিক্ষার্থীদের ব্যাপকতর গণতান্ত্রিক ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা কর!★
★ গণতান্ত্রিক প্রশাসন সংক্রান্ত কর্মসূচি:
১। ফ্যাসিস্ট ও গণহত্যাকারী শক্তি হিসেবে চিহ্নিত ছাত্রলীগ এবং দলদাস আওয়ামী শিক্ষক-কর্মচারীদের সকল দলীয় তৎপরতা স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে। তাদের অপরাধের তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করতে হবে।
২। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, হল দখল, সিট নিয়ন্ত্রণ, সন্ত্রাসসহ মতপ্রকাশ, সংগঠন, সমাবেশের ওপর হামলা-নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত, ধর্ম-বর্ণ-জাতি-লিঙ্গ বিদ্বেষী বা বৈষম্যবাদী যে কোনো ব্যক্তি ও সংগঠনের বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থাসহ এসব অপতৎপরতা নিষিদ্ধ করতে হবে।
৩। উপরোক্ত অপরাধমূলক ও অগণতান্ত্রিক তৎপরতায় জড়িত না হলে, যে কোনো গণতান্ত্রিক সংগঠন বা ব্যক্তি তার মতাদর্শ প্রচার, রাজনীতি, সংগঠন, মতপ্রকাশ ও সমাবেশের গণতান্ত্রিক অধিকার ভোগ করবে। এসব অধিকার ক্ষুণ্ন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টোরিয়াল বিধি ও প্রশাসনের সহায়তায় সুরক্ষা দিতে হবে। প্রক্টোরিয়াল বিধিতে ছাত্রদের গণতান্ত্রিক অধিকার সংরক্ষণের নীতিকে প্রাধান্য দিতে হবে। ফ্যাসিবাদী মতাদর্শ ছাড়া মতপ্রকাশের কারণে প্রশাসনিক বা অন্য কোনো নিপীড়ন-বৈষম্য করা যাবে না।
৪। কেন্দ্রীয় ও হল ইউনিয়ন সদস্যদের প্রতিনিধি সভা গঠন করতে হবে। ছাত্র সংসদের ওপর সভাপতির (ভিসি ও প্রভোস্টের) একচ্ছত্র ক্ষমতার বিলোপ করে ইউনিয়নের সদস্য অর্থাৎ সাধারণ শিক্ষার্থীদের “প্রতিনিধি সভার” হাতে সকল ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ইউনিয়নের নির্বাহী কমিটিকে প্রতিনিধি সভার কাছে সম্পূর্ণ দায়বদ্ধ থাকতে হবে। প্রতিনিধি কিংবা নির্বাহী সদস্যদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন, তদন্ত ও প্রত্যাহারের জন্য সাধারণ সদস্যদের হাতে পর্যাপ্ত ক্ষমতা দিতে হবে।
৫। ভিসি প্যানেল, সিন্ডিকেট ও সিনেট নির্বাচনের ইলেক্টোরেটে ছাত্রদের ৩০% প্রতিনিধিত্ব থাকতে হবে। সিনেট ও সিন্ডিকেটে ছাত্রদের প্রতিনিধিত্ব বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে সিনেট ও সিন্ডিকেটে বড় আমলা ও ব্যবসায়ীদের পরিবর্তে শ্রমিক, কৃষক, মধ্যবিত্ত ও অভিভাবক প্রতিনিধিদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।
৬। প্রতি বছর ছাত্র সংসদ ও শিক্ষক সমিতির নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠুভাবে একই নির্ধারিত তারিখে অনুষ্ঠিত হতে হবে। কোনো কারণে তারিখ পরিবর্তনের প্রয়োজন হলে পূর্ববর্তী নির্বাচনী প্যানেলগুলোর সংখ্যাগরিষ্ঠের মতামতের ভিত্তিতে তা করতে হবে।
৭। শিক্ষকদের মান নির্ধারণে ছাত্রদের স্বাধীন রেটিং ব্যবস্থার সুযোগ থাকতে হবে। শ্রেণিকক্ষে বাধ্যতামূলক উপস্থিতির নিয়ম বাতিল করতে হবে। ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক হবে সিনিয়র ও জুনিয়র স্কলারের মতো; শিক্ষকদের সামন্তীয় আধিপত্য দূর করতে হবে।
৮। শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতি, দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি দূর করে যোগ্যতমদের শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। শিক্ষকদের মান ও জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে প্রমোশন ও সুযোগ-সুবিধা বণ্টন করতে হবে। টেকনোক্র্যাট হিসাবে শিক্ষকদের রাষ্ট্রীয় বা অন্য কোন পদে পদায়নের প্রয়োজন হলে উক্ত পদ প্রার্থী সরকার নয়, সিনেট ও শিক্ষক সমিতিই বাছাই করবে।
৯। বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কোনো অনিয়ম, দুর্নীতি, সন্ত্রাস-নির্যাতন, সিট দখল, মোরাল পুলিশিং, র্যাগিং ও নারী নিপীড়নের অভিযোগ গ্রহণ, তদন্ত ও শাস্তির সুপারিশের জন্য একটি স্বাধীন সেল গঠন করতে হবে, যা কেবল সিনেটের কাছে জবাবদিহি করবে। শিক্ষাঙ্গণে মাদক ব্যবসা, জুয়া, ছিনতাই, বহিরাগতদের সিট দখল, অস্ত্র উদ্ধারসহ আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ে আইনগত ও পুলিশের সর্বোচ্চ সক্রিয়তা নিশ্চিত করতে সার্বক্ষণিক তদারকি করতে হবে।
১০। বিশ্ববিদ্যালয়কে জাতীয় গণতান্ত্রিক, উৎপাদনমুখী, বিজ্ঞানভিত্তিক ও গণমুখী সুলভ শিক্ষা, পূর্ণ একাডেমিক স্বাধীনতা, দলীয়করণ ও ফ্যাসিবাদমুক্ত গণতান্ত্রিক স্বায়ত্তশাসন, উচ্চমান ও সমৃদ্ধির ভিত্তিতে গড়ে তুলতে ১৯৭৩ সালের বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ সংশোধন ও পরিমার্জন করতে হবে।
★শিক্ষার গণতান্ত্রিক বিষয়বস্তু, একাডেমিক স্বাধীনতা ও গুণগতমান সংক্রান্ত:
১১। পাঠ্যক্রমকে দেশপ্রেমিক, গণতান্ত্রিক, গণমুখী, সৃজনশীল ও বিজ্ঞানভিত্তিকভাবে ঢেলে সাজাতে হবে। জাতীয়স্বার্থ বিরোধী, সামন্তীয় ও ফ্যাসিবাদী উপাদান বাদ দিতে হবে।
১২। উচ্চমানসম্পন্ন শিক্ষকদের নিয়োগ দিতে হবে। জাতীয়স্বার্থে জ্ঞানভান্ডার সমৃদ্ধ করতে আন্তর্জাতিকভাবে সর্বোচ্চ পর্যায়ের পন্ডিতদের সম্ভাব্য নানা উপায়ে যুক্ত করতে হবে। গেস্ট লেকচার, কনসালটেন্সি, ইভনিং কোর্সের নামে শিক্ষা বাণিজ্য বন্ধ করতে হবে; শিক্ষকদের গবেষণা ও পাঠদানে পর্যাপ্ত সময়, সুযোগ, গুণগত মান নিশ্চিত করতে হবে। শিক্ষকদের বেতন বৃদ্ধি করতে হবে। শিক্ষকতার মানোন্নয়নে অর্থায়ন করতে হবে।
১৩। গবেষণাকে গণমুখী ও গুণে-পরিমাণে উন্নত করতে হবে। গবেষণায় আর্থিক প্রণোদনা দিতে হবে। আন্তর্জাতিক মানের ল্যাব প্রতিষ্ঠা করতে হবে। ব্রেন-ড্রেইন বন্ধ করতে হবে।
১৪। শিক্ষকদের সিলেবাস নির্ধারণে অধিকতর স্বাধীনতা দিতে হবে। শ্রেণিকক্ষ ও শ্রেণিকক্ষের বাইরে, গবেষণা ও লেখালেখিতে ছাত্র ও শিক্ষকদের মতপ্রকাশের পূর্ণ স্বাধীনতা দিতে হবে। ছাত্রদের বিষয় ও শিক্ষক বাছাইয়ের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়কে সরকারি আমলা ও কেরানী তৈরীর কারখানা নয়, অর্জিত শিক্ষাসংশ্লিষ্ট শোভন কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।
১৫। “লেকচার, নোট, ইনকোর্স, টার্ম ফাইনাল”-এই প্রাচীন শিক্ষণ ও মূল্যায়ন পদ্ধতি বাতিল করে বিশ্বের সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অনুসরণে সর্বাধুনিক পদ্ধতি চালু করতে হবে, যা একই সঙ্গে জনগণ ও উৎপাদনের সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে। আন্তর্জাতিক আদান-প্রদান বাড়াতে হবে।
★অবকাঠামোগত সুবিধা:
১৬। শিক্ষা, গবেষণা, আবাসন, খাদ্য, পরিবহন, খেলাধুলা, ও সাংস্কৃতিক কর্মকা-ের জন্য সুলভ ও মানসম্পন্ন অবকাঠামো উন্নয়ন করতে হবে। ফ্রি ইন্টারনেট ও ই-লাইব্রেরির ব্যবস্থা করতে হবে। প্রতিটি হলে আধুনিক ব্যায়ামাগার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। আধুনিক হাসপাতাল ও পরীক্ষারগার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকৃতি সংরক্ষণ করে নির্মাণ কাজ পরিচালনা করতে হবে।
★সাংস্কৃতিক:
১৭। সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক তৎপরতায় ছাত্র-শিক্ষকদের জন্য বিশেষ প্রণোদনা ও আর্থিক সহায়তা দিতে হবে। বিনামূল্যে অবকাঠামোগত সুবিধা দিতে হবে। শিক্ষার্থীদের মধ্যে জুনিয়র-সিনিয়র ভিত্তিক অগণতান্ত্রিক আধিপত্য দূর করতে হবে।
১৮। প্রত্যেকের ধর্ম ও বিশ্বাস চর্চার অধিকার ও ভৌত-সুযোগ সুবিধা রক্ষা করতে হবে।ধর্ম-বর্ণ-জাতি-ভাষা বা লিঙ্গগত পার্থক্যের কারণে কোন শিক্ষার্থির প্রতি প্রাধিকার বা বৈষম্য সৃষ্টি করা যাবে না।
★অর্থায়ন:
১৯। ইউজিসির-২০ বছর মেয়াদী সাম্রাজ্যবাদী কৌশলপত্রের অধীনে শিক্ষার অর্থায়ন ও উন্নয়নে আভ্যন্তরীণ উৎসের ওপর নির্ভর করার নামে ক্রমাগত বেতন-ফি বৃদ্ধিসহ বিশ্ববিদ্যালয়কে করপোরেট সংস্থা ও সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থার উপাঙ্গে পরিণত করার প্রকল্প বাতিল করতে হবে।
২০। রাষ্ট্রকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য অর্থায়ন করতে হবে। ছাত্রদের আর্থিক অবস্থান বিবেচনায় বেতন-ফি নির্ধারণ করতে হবে। দরিদ্র ছাত্রদের বৃত্তি দিতে হবে। প্রগতিশীল করব্যবস্থার আওতায় বড় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য কর/ সেস আদায় করতে হবে।
২১। শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কর্মসংস্থানের জন্য বিশ্বিবিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনায় উপযুক্ত ধরণের অর্থনৈতিক উদ্যোগে বড় আকারের বিনিয়োগ করতে হবে।
২২। ইউজিসিকে দলীয় ও সরকারি প্রভাবমুক্ত রাখতে হবে; এর প্রধান কর্মকর্তাদের নিয়োগ দিতে হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দ্বারা নির্বাচিত প্যানেল থেকে।
বন্ধুগণ,
গণতান্ত্রিক বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার এইসব দাবি-কর্মসূচি আদায়-বাস্তবায়নের সংগ্রামের পতাকাবাহী হিসেবে ডাকসু নির্বাচন ২০২৫- এ ছাত্র গণমঞ্চের ঢাকা অঞ্চলের সদস্য সচিব, রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগ ও শেখ মুজিবুর রহমান হলের ২০২১-২২ সেশনের ছাত্র আরাফাত ইমরানকে ডাকসু কেন্দ্রীয় সংসদের গবেষণা ও প্রকাশনা সম্পাদক পদে প্রার্থী ঘোষণা করছি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের প্রতি আমরা আহ্বান জানাচ্ছি, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক সংস্কার আদায়ের লড়াই বেগবান করতে আরাফাত ইমরানকে নির্বাচিত করুন।
প্রিয় সাংবাদিক বন্ধুগণ,
ডাকসু নির্বাচন ২০২৫- এ ছাত্র গণমঞ্চের এই অবস্থানগুলো ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণতান্ত্রিক সংস্কার আদায়ের সংগ্রামী প্রতিনিধি হিসেবে আরাফাত ইমরানের প্রার্থীতার সংবাদ আপনাদের সংবাদ মাধ্যমে তুলে ধরার জন্য বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি।
আবারো ধন্যবাদ জানিয়ে শেষ করছি।
ছাত্র গণমঞ্চ, ঢাকা অঞ্চল কমিটি।


https://shorturl.fm/E930d
https://shorturl.fm/Bg0NA
https://shorturl.fm/v5GbO
https://shorturl.fm/mdsX6
https://shorturl.fm/fGksp
https://shorturl.fm/RATBu
Earn up to 40% commission per sale—join our affiliate program now!