প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

আঞ্চলিক শক্তি ও উন্নত দেশ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের নিজের স্ট্র্যাটেজির প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ হলো ”ইন্দো-প্যাসিফিক ওসেন ইনিশিয়েটিভ”। বাংলাদেশ এই সংস্থায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাকে সফরকালে স্বাগত জানিয়েছে মোদী। অর্থাৎ এক্ষেত্রে চীন ও মার্কিন উদ্যোগগুলো থেকে দূরে রেখে বাংলাদেশকে এককভাবে ভারতের স্ট্র্যাটেজির অনুসারিতে পরিণত…

বিস্তারিত

প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

সম্প্রসাণবাদী ভারতের স্ট্র্যাটেজিক লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশ এবং আঞ্চলিক শক্তি হয়ে ওঠা। এই লক্ষ্য অর্জনের অপরিহার্য শর্ত হলো আঞ্চলিক রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উদীয়মান সাম্রাজ্যবাদী চীনের ক্রমবর্ধমান অনুপ্রবেশ সর্বাত্মকভাবে খর্ব করে নিজের দখল কায়েম করা। শেখ হাসিনার সফর ও চুক্তি-সমঝোতার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে ভারতের সেই জাতীয়…

বিস্তারিত

প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

ভারতের জাতীয় ভিশন ও স্ট্র্যাটিজি অর্জনের জন্য কেবল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নয়, আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা, সমুদ্র অর্থনীতি, মহাকাশ, ডিজিটাল ও টেলিকমিউনিকেশনের ক্ষেত্রগুলোতেও চীনকে ঠেকিয়ে ভারতের দখল কায়েম জরুরী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে, চীনের সাথে বাংলাদেশের ২০১৫ সালে করা চুক্তিগুলোর আওতায় এসব ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার পেতে চীনও চাপ সৃষ্টি করছে। তাই…

বিস্তারিত

প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

২০০৪ সালে হাসিনা-মনমোহন চুক্তিতে কানেকটিভিটির দশক ঘোষণা করা হয়েছিল। বিশ্ব সাম্রাজ্যবাদী ব্যবস্থায় দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়াকে অন্যতম প্রবৃদ্ধি কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তোলার জন্য এই সড়ক, রেল, আকাশ, বিদ্যুৎ, জ্বালানী, বন্দর, টেলিকমিউনিকেশন, ডিজিটাল কানেকটিভিটি তৈরী করা ছিল এই স্ট্র্যাটেজির লক্ষ্য। তার আওতায় ট্রান্স এশীয় রেল যোগাযোগ গড়ে তোলার অংশহিসাবে পদ্মাসেতু, রেলযোগাযোগসহ…

বিস্তারিত

শেখ হাসিনার ভারত সফরের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের ওপর ভারতের সম্প্রসারণবাদী আধা-উপনিবেশিক একাধিপত্য কায়েমের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো!

ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ বাংলাদেশের জাতি ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথে প্রধান বৈদেশিক শত্রু হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে! মসনদ টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে ভারতের কাছে দেশবন্ধক দেয়া আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আজ প্রায় পুতুল সরকারে পরিণত হয়েছে! সম্প্রসাণবাদী ভারতের স্ট্র্যাটেজিক লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশ এবং আঞ্চলিক শক্তি হয়ে ওঠা। এই লক্ষ্য…

বিস্তারিত

শেখ হাসিনার ভারত সফরের মধ্যদিয়ে বাংলাদেশের ওপর ভারতের সম্প্রসারণবাদী আধা-উপনিবেশিক একাধিপত্য কায়েমের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলো!

ভারতীয় সম্প্রসারণবাদ বাংলাদেশের জাতি ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠার পথে প্রধান বৈদেশিক শত্রু হিসাবে আবির্ভূত হয়েছে! মসনদ টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে ভারতের কাছে দেশবন্ধক দেয়া আওয়ামী ফ্যাসিবাদ আজ প্রায় পুতুল সরকারে পরিণত হয়েছে! সম্প্রসাণবাদী ভারতের স্ট্র্যাটেজিক লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশ এবং আঞ্চলিক শক্তি হয়ে ওঠা। এই লক্ষ্য…

বিস্তারিত

গুম, খুনের মত অপরাধ থেকে শুরু করে চরম দমন-পীড়ন চালিয়ে সরকারকে ক্ষমতায় রাখার পুরষ্কার হিসাবেই কি এই অনুমোদন পায়নি বেনজিররা?

এই জমিদারি তৈরী করা হয়েছে রাষ্ট্রের অপরাধ দমন সংস্থার শীর্ষ পর্যায়ে থেকে বিরাট অপরাধযজ্ঞের মাধ্যমে। কোন রাষ্ট্রের অপরাধ দমনে যুক্ত শীর্ষ ব্যক্তি গুরুতর অপরাধে যুক্ত-এই হল বাংলাদেশ রাষ্ট্রের অবস্থা। গোয়েন্দা সংস্থাগুলো বা সরকার এতবড় অপরাধযজ্ঞ সম্পর্কে জানতো না, তা বিশ্বাসযোগ্য নয়। অথচ বেনজির প্রধানমন্ত্রীর আশির্বাদে দীর্ঘসময় পুলিশ ও…

বিস্তারিত

ক্ষতিগ্রস্ত ৩০ হাজার প্রবাসগামী শ্রমিকের ক্ষতিপূরণ ও পুনর্বাসন করতে হবে!

আধুনিক দাস বাণিজ্যেতেও সিন্ডিকেট তৈরী হয়েছে। এরা আওয়ামী সিন্ডিকেট। স্রেফ লাইসেন্স বাগিয়ে অবৈধ সার্ভিস চার্জ নিয়ে বছরে হাজার হাজার কোটি টাকা লুটে খাচ্ছে এই সিন্ডিকেট। কেড়ে নিচ্ছে শ্রমজীবী মানুষের শেষ সম্বলটুকু। এই ব্যবসার সিন্ডিকেট ভাঙ্গতে শ্রমিক রফতানি আমলা ও দুর্নীতিমুক্ত গণপ্রশাসনের অধীনে রাষ্ট্রীয়করণ করতে হবে।★সিন্ডিকেটের সমস্ত সম্পদ বাজেয়াপ্ত…

বিস্তারিত

সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণীর শ্রেণীগত ঐক্য ও সংগ্রাম জোরদার কর!

দুনিয়ার মজদুর, নিপীড়িত জাতি ও জনগণ- এক হও! সাম্রাজ্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে শ্রমিক শ্রেণীর শ্রেণীগত ঐক্য ও সংগ্রাম জোরদার কর! শিল্পাঞ্চলে চলো, স্ফুলিঙ্গ জ্বালো, গণশক্তির উত্থান ঘটাও! মহান মে দিবস উদযাপন কর! শ্রমজীবী বন্ধুগণ ও নিপীড়িত জনতা, ১৮৮৬ সালে ৮ ঘন্টা শ্রম-৮ ঘন্টা বিশ্রাম- ৮ ঘন্টা বিনোদনসহ মানুষের…

বিস্তারিত

বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) এর সাবেক সভাপতি বিপুল চাকমা, পিসিপির বর্তমান কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুনীল ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি জেলা শাখার গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা লিটন চাকমা ও ইউপিডিএফ সংগঠক রুহিন বিকাশ ত্রিপুরাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ধরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে আরও তিনজনকে।

ঝরে যাওয়া রক্তে বিপ্লব তলিয়ে যায় না বরং ছড়িয়ে পড়ে বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ(পিসিপি) এর সাবেক সভাপতি বিপুল চাকমা, পিসিপির বর্তমান কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি সুনীল ত্রিপুরা, খাগড়াছড়ি জেলা শাখার গণতান্ত্রিক যুব ফোরামের নেতা লিটন চাকমা ও ইউপিডিএফ সংগঠক রুহিন বিকাশ ত্রিপুরাকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। ধরে…

বিস্তারিত