জনগণের সুপ্ত আকাঙক্ষা পূরণ করতে হলে দরকার হতো গণহত্যায়লিপ্ত পুলিশ বাহিনীরই বিলোপ সাধন করে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে সম্পূর্ণ নতুন গণতান্ত্রিক চরিত্রের বাহিনী গঠন করা। কিন্তু সে আকাঙক্ষা পূরণ করতে হলে ২৪-এর স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যুত্থানকে বিপ্লবে রূপ দিতে হবে।

যেহেতু এই সরকারের পক্ষে পুরোনো পুলিশী ব্যবস্থা বিলোপ করা সম্ভব নয়, তাই পুলিশের প্রতি মানুষের যে ন্যায্য ঘৃণা তৈরী হয়েছে, তাতে পুরনো এই বাহিনীকে জনগ্রহণযোগ্য করে তোলার লাইনে সরকার অগ্রসর হতে বাধ্য। আর তার প্রথম পদক্ষেপ হলো পুলিশের রক্তমাখা পোশাক বদল। এতে প্রকাশ পাচ্ছে যে, এই স্বতঃস্ফূর্ত অভ্যুত্থানের…

বিস্তারিত

গণহত্যার রক্তের দাগ শুকাবার আগেই অন্তর্বর্তীকালীন সরকার পতিত গণহত্যাকারী ফ্যাসিস্ট দলের পুনর্বাসনের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। এটা ছাত্র-জনতারর অভ্যত্থানের আকাঙ্ক্ষার বিরোধী।

হিটলারের নাজি পার্টি, মুসোলিনির ফ্যাসিস্ট পার্টি প্রথমদিকে বিপুল জনপ্রিয় ছিল। ভোটের মাধ্যমে তারা ক্ষমতায় গিয়েছিল। তারা তথাকথিত জঙ্গি দল ছিল না। কিন্তু তাদের সেই ফ্যাসিস্ট ভাবাদর্শ ও কর্মকাণ্ডের কারণে এসব দল আজো ইউরোপে নিষিদ্ধ। ছাত্র সমাজ আওয়ামী লীগকে ফ্যাসিস্ট দল বলে আখ্যায়িত করেছে। অথচ এখন গণহত্যার রক্তের দাগ…

বিস্তারিত

গত ৫৩ বছরের অব্যহত স্বৈরতান্ত্রিক ও ফ্যাসিস্ট শাসনে সর্বস্তরের জনগণ অবদমিত হয়েছে। তারই ধারাবাহিতা ও বিকশিত চেহারা ছিল হাসিনা ফ্যাসিবাদ।

এ সময়কালে জনগণ, বিশেষত আমজনতা রাষ্ট্র গঠন ও পরিচালনা নিয়ে মতপ্রকাশ, মতগঠন ও তার ভিত্তিতে সংগঠিত হতে পারেনি। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিপুল স্বতঃস্ফূর্ত চরিত্র এবং এ অভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা ও আশঙ্কার মূলে রয়েছে, এই বাস্তবতা। এই দুর্বলতার কারণে ভারতের দালাল হাসিনা সরকারকে উৎখাত করলেও অভ্যুত্থানকারীদের পুরনো ফ্যাসিস্ট হাসিনাকে…

বিস্তারিত

ড. ইউনুসের নেতৃত্বে যে কোন সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করুন!

এক বিদ্রোহের মধ্যদিয়েই মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকারকে হটাতে হয়েছিল। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নির্দেশিত সেই ১/১১-র অন্যতম কারিগর ছিল ড. ইউনুস। একারণে তাকে বাংলার কারজাই বলা হয়। হামিদ কারজােই ছিলেন আফগানিস্তান দখল করার পর আমেরিকার তৈরী আফগান পুতুল সরকারের প্রধান। এই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ হলো দুনিয়ার এক নম্বর শত্রু, তার খাস খাদেম হলো…

বিস্তারিত

ড. ইউনুসের নেতৃত্বে যে কোন সরকারের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করুন!ছাত্র-শ্রমিক-জনতার অস্থায়ী গণসরকার গঠন করুন!

এক বিদ্রোহের মধ্যদিয়েই মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকারকে হটাতে হয়েছিল জনগণকে। সেই সরকার মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের রূপরেখা অনুযায়ী দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও রাষ্ট্রের পুনর্গঠন চেয়েছিল। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নির্দেশিত সেই ১/১১-র অন্যতম কারিগর ছিল ড. ইউনুস। একারণে তাকে বাংলার কারজাই বলা হয়। হামিদ কারজােই ছিলেন আফগানিস্তান দখল করার পর আমেরিকার তৈরী আফগান পুতুল…

বিস্তারিত

হাসিনাসহ গণহত্যা, দুঃশাসন লুণ্ঠন—পাচারে অভিযুক্তদের দেশত্যাগ বন্ধ ও গ্রেফতার করতে হবে!

গণঅভ্যুত্থানকারী ছাত্র—শ্রমিক—জনতার অস্থায়ী গণসরকারের হাতে অবিলম্বে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে! বীর ছাত্র—জনতা,শত শত শহীদ ও লাখো—কোটি জনতার বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ফলে আজ গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার ফ্যাসিস্ট দুঃশাসনের পতন ঘটেছে। এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমরা আবু সাইদ, মুগ্ধসহ সকল বীর শহীদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরুণ নেতৃবৃন্দ এবং সংগ্রামী ছাত্র—জনতাকে জানাই লাল…

বিস্তারিত

হাসিনাসহ গণহত্যা, দুঃশাসন লুণ্ঠন—পাচারে অভিযুক্তদের দেশত্যাগ বন্ধ ও গ্রেফতার করতে হবে!

গণঅভ্যুত্থানকারী ছাত্র—শ্রমিক—জনতার অস্থায়ী গণসরকারের হাতে অবিলম্বে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে! বীর ছাত্র—জনতা,শত শত শহীদ ও লাখো—কোটি জনতার বীরত্বপূর্ণ সংগ্রামের ফলে আজ গণহত্যাকারী হাসিনা ও তার ফ্যাসিস্ট দুঃশাসনের পতন ঘটেছে। এই মাহেন্দ্রক্ষণে আমরা আবু সাইদ, মুগ্ধসহ সকল বীর শহীদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের তরুণ নেতৃবৃন্দ এবং সংগ্রামী ছাত্র—জনতাকে জানাই লাল…

বিস্তারিত

গণসরকার গঠনের রূপরেখা সম্পর্কে

ছাত্রদের মাথায় হাত বুলিয়ে “সুশীল সমাজের সরকার” গঠনের আওয়াজ তোলা হচ্ছে। সেটা হলে আন্দোলন ব্যর্থ হবে। লড়বে, মরবে ছাত্র-শ্রমিক-জনতা আর ক্ষমতা নেবে সুশীল সমাজ– তা হবে না। আন্দোলনকারী ছাত্র-শ্রমিক-জনতার প্রত্যাহারযোগ্য প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গণসরকার গঠন করতে হবে। এ ছাড়া আন্দোলন ও জনগণের স্বার্থ রক্ষা করা সম্ভব হবে না। আন্দোলনকারী…

বিস্তারিত

২০১৮ সালের শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের কারণে কোন প্রক্রিয়া ছাড়াই প্রজ্ঞাপন জারি করে কোটা বাতিল করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী নিজেই স্বীকার করেছে তার জেদের কারণে এভাবে কোটা বাতিল করা হয়েছিল। যদিও রাগ-ক্ষোভের বশবর্তী হয়ে সিদ্ধান্ত দেয়া প্রধানমন্ত্রী শপথ লঙ্ঘন হয়েছে। যাই হোক, যার প্রধানমন্ত্রীত্বই অবৈধ তার শপথের বৈধতা লঙ্ঘনে কিবা আসে যায়! ২০১৮ সালেও শিক্ষার্থীদের দাবি ছিল ”কোটার যৌক্তিক সংস্কার”। কিন্তু শিক্ষার্থীদের ওপর জেদ করে তিনি…

বিস্তারিত

“অগ্নিঝরা গণ-অভ্যুত্থানের দিনগুলোয় যখন পাকিস্তানি শাসকের গুলিতে প্রতিনিয়ত রক্ত ঝরছিল স্বাধীনতাকামী ছাত্রদের বুক থেকে, তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক শামসুজ্জোহা ১৯৬৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এক শিক্ষক সভায় বলেছিলেন, ‘আজ আমি ছাত্রদের রক্তে রঞ্জিত। এরপর কোনো গুলি হলে তা ছাত্রকে না লেগে যেন আমার গায়ে লাগে।’ ঠিক তার পরদিনই বিক্ষুব্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্র মিছিলের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বুক পেতে নিয়েছিলেন ঘাতকের তপ্ত বুলেট। আর অংশ হয়ে গেলেন ইতিহাসের।

অধ্যাপক শামসুজ্জোহার শহীদ হওয়ার ৫৫ বছর পর তাঁর আত্মনিবেদনের সেই বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে নিজের ফেসবুক পাতায় পোস্ট দিয়েছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি লিখেছেন, ‘স্যার! এই মুহূর্তে আপনাকে ভীষণ দরকার, স্যার! ‘আপনার সমসাময়িক সময়ে যাঁরা ছিলেন, সবাই তো মরে গেছেন, কিন্তু…

বিস্তারিত