এক বিদ্রোহের মধ্যদিয়েই মইনুদ্দিন-ফখরুদ্দিন সরকারকে হটাতে হয়েছিল। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ নির্দেশিত সেই ১/১১-র অন্যতম কারিগর ছিল ড. ইউনুস। একারণে তাকে বাংলার কারজাই বলা হয়। হামিদ কারজােই ছিলেন আফগানিস্তান দখল করার পর আমেরিকার তৈরী আফগান পুতুল সরকারের প্রধান। এই মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ হলো দুনিয়ার এক নম্বর শত্রু, তার খাস খাদেম হলো ড. ইউনুস। সর্বোপরি, দেশের সর্বজন শ্রদ্ধেও প্রবীন ও ঠোঁটকাটা তাত্ত্বিক বদরুদ্দিন উমর রাজনীতিবিদ ড. ইউনুসকে দারিদ্র্য ব্যবসায়ী হিসাবে চিহ্নিত করেছিলেন। ড. ইউনুসকে হাসিনা তার গদীর জন্য হুমকি মনে করত, কারণ ইউনুসের ক্ষমতার উৎস খোদ সাম্রাজ্যবাদী বৃহৎশক্তিগুলো। এ কারণে হাসিনা ইউনুসের ওপর অনেক অন্যায়-জুলুমও চাপিয়েছে। কিন্তু কেবল এ জুলুমের কারণে মার্কিন-ইউরো সাম্রাজ্যবাদের এক খাস খাদেম ড. ইউনুস জনগণের লোক হয়ে যান না। ড. ইউনুসের নেতৃত্বে যে কোন সরকার বস্তুত আফগানিস্তানে কারজাই এবং ইরাকের নূরী আল মালিকীর মত মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের পুতুল সরকার ছাড়া আর কিছুই হবে না। এভাবে এক বিতর্কিত ব্যক্তির নেতৃত্বে অন্তরবর্তী সরকার গঠন করে- ছাত্র-জনতার রক্তাক্ত অভ্যুত্থানের বাংলাদেশকে কেন আমরা মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের হাতে তুলে দেব, সেই প্রশ্নের জবাব আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দের কাছে জানতে চাই।

