পপুলিজম থেকে ফ্যাসিবাদ বিকাশের এই বিপদ সম্পর্কে সতর্ক ও সোচ্চার হোন।

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাদক কারবারি, ছিনতাইকারী, অপরাধীদের উচ্ছেদ করে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটা দরকারি কাজ। এক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ভূমিকা রাখার কার্যকর উপায় হলো প্রশাসন ও পুলিশের তৎপরতা নিশ্চিত করতে সোচ্চার হওয়া এবং শিক্ষার্থী, প্রশাসন ও পুলিশের সমন্বয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠনের দাবি আদায় করা। এভাবে পুলিশী তৎপরতা জোরদার করা।…

বিস্তারিত

এদেশের পুঁজির বিশেষত্ব হলো দুনিয়ার সস্তাতম শ্রমে মুনাফা কামানো। শ্রমিক, প্রবাসী, শ্রমিক, কর্মচারি কি শিক্ষক সবার বেতন-মজুরি দুনিয়ার সবচেয়ে কম। আগুনে পুড়ে শ্রমিক মরল কিনা, তা দেখার সুযোগ মালিক শাসক শ্রেণীর নেই।

এই জনগোষ্ঠীকে মুত্যুকূপে সস্তায় শ্রম দিতে বাধ্য করার জন্যই শাসক শ্রেণীকে ফ্যাসিবাদের আশ্রয় নিতে হয়। স্বভাবতই এই ফ্যাসিবাদী ক্ষমতা দুর্নীতিগ্রস্ত এবং সবকিছু একা দখল ও লুঠ করতে চায়। হাসিনা ফ্যাসিবাদ সেটাই করছিল। এতে বিক্ষুব্ধ জনগণের পাশাপাশি শাসক শ্রেণীর দেশি-বিদেশি “বঞ্চিত” অংশও বিরক্ত ছিল। হাসিনা পতনের পর মার্কিন দালাল…

বিস্তারিত

পূর্ববাংলার বীর জনগণ, আমাদের লড়াই শেষ হয়নি, অসমাপ্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করুন!

★ আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী সংস্থা আইএফসি-র পরামর্শই হাসিনা সরকারের নিয়োগকৃত বিদেশী কনসালটেন্ট ফার্ম সুপারিশ করেছে। এই সুপারিশ অনুসারেই সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির উচ্চ মুনাফার স্বার্থে বন্দরের ট্যারিফ ৪০% বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বিদেশিদের হাতে বন্দর হস্তান্তর করা হচ্ছে। এতে দেশের আমাদানি-রফতানি বাণিজ্যের খরচ বাড়বে। রফতানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমবে আর আমাদনিসংশ্লিষ্ট…

বিস্তারিত

পূর্ববাংলার বীর জনগণ, আমাদের লড়াই শেষ হয়নি, অসমাপ্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করুন!

★ আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী সংস্থা আইএফসি-র পরামর্শই হাসিনা সরকারের নিয়োগকৃত বিদেশী কনসালটেন্ট ফার্ম সুপারিশ করেছে। এই সুপারিশ অনুসারেই সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির উচ্চ মুনাফার স্বার্থে বন্দরের ট্যারিফ ৪০% বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বিদেশিদের হাতে বন্দর হস্তান্তর করা হচ্ছে। এতে দেশের আমাদানি-রফতানি বাণিজ্যের খরচ বাড়বে। রফতানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমবে আর আমাদনিসংশ্লিষ্ট…

বিস্তারিত

পূর্ববাংলার বীর জনগণ, আমাদের লড়াই শেষ হয়নি, অসমাপ্ত জাতীয় গণতান্ত্রিক বিপ্লব সম্পন্ন করুন!

★ আন্তর্জাতিক সাম্রাজ্যবাদী সংস্থা আইএফসি-র পরামর্শই হাসিনা সরকারের নিয়োগকৃত বিদেশী কনসালটেন্ট ফার্ম সুপারিশ করেছে। এই সুপারিশ অনুসারেই সাম্রাজ্যবাদী পুঁজির উচ্চ মুনাফার স্বার্থে বন্দরের ট্যারিফ ৪০% বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং বিদেশিদের হাতে বন্দর হস্তান্তর করা হচ্ছে। এতে দেশের আমাদানি-রফতানি বাণিজ্যের খরচ বাড়বে। রফতানি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা কমবে আর আমাদনিসংশ্লিষ্ট…

বিস্তারিত

মাজার ভাঙ্গার সাথে জড়িত উসকানিদাতা কুচক্রীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে!

এই ঘটনা বস্তুত উগ্রধর্মীয় ডানপন্থার ওপর ভর করে ক্ষমতাসীন ইন্টারিম সরকার কর্তৃক এই ধর্মোন্মদনা সৃষ্টিকারী ফ্যাসিবাদী গোষ্ঠীকে ক্রমাগত আশকারা দেয়ার ফল। এই ঘটনার প্রতিকারে যদি অবিলম্বে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবি তোলা অপরিহার্য হয়ে পড়বে। সকল গণতান্ত্রিক ব্যক্তি ও সংগঠনকে উপরোক্ত দাবিতে…

বিস্তারিত

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ইতিহাসকে ফ্যাসিবাদের হাতিয়ার রূপে কাজে লাগিয়েছিল। ঠিক যেমন এখন আপনারা নির্দিষ্ট ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করছেন।

ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ ইতিহাসকে ফ্যাসিবাদের হাতিয়ার রূপে কাজে লাগিয়েছিল। ঠিক যেমন এখন আপনারা নির্দিষ্ট ইতিহাস মুছে ফেলার চেষ্টা করছেন। না জয়ী- না পরাজিত এই জাতি “শহীদ যোদ্ধাদের” নিয়ে কান্নাকাটি করে না। তারা একটা গণহত্যার মার্সিয়া গায়। এই মার্সিয়া যুগযুগান্তরে চলবে। তাতে কারো সমস্যা হবার কথা তো নয়। বরং…

বিস্তারিত

চেয়ারম্যান গনসালো অমর! নিপীড়িত জনতার মুক্তি সংগ্রামে তিনি বেঁচে আছেন এবং বেঁচে থাকবেন!

নিপীড়িত জনতার মুক্তি সংগ্রামে তিনি বেঁচে আছেন এবং বেঁচে থাকবেন ইতিহাস কখনো ভোলে না তাদের নাম, যারা দমন-পীড়ন ও শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, যারা সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও মাথা নত করেনি। তাঁদের একজন হলেন পেরুর জনগণের যুদ্ধের নেতা, মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ শিক্ষার দৃঢ় রক্ষক চেয়ারম্যান গনসালো। তাঁর নাম শুধু পেরুর জনগণের স্মৃতিতেই…

বিস্তারিত

মাজারে হামলা, কবর থেকে মৃতদেহ উত্তোলন করে আগুনে পোড়ানো, এবং রাজনৈতিক কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।

বিস্তারিত

ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টিকারীদের ক্রমাগত মদদ দানকারী ইন্টারিম সরকারকে এই পৈশাচিকতার দায় নিতে হবে

রাজবাড়িতে নুরুল হক ওরফে নুরাল পাগলার বাড়ি ও মাজার ভাঙচুর করে তাঁর লাশ উঠিয়ে পুড়িয়ে দিয়েছে তৌহিদি জনতার লেবাসধারী মব সন্ত্রাসরা। ধর্মীয় উন্মাদনা সৃষ্টিকারীদের ক্রমাগত মদদ দানকারী ইন্টারিম সরকারকে এই পৈশাচিকতার দায় নিতে হবে। এই উন্মাদনা কেবল ধর্মীয় ফ্যাসিবাদের পথ প্রশস্ত করার ক্ষেত্র প্রস্তুত করছে তা নয়, পতিত…

বিস্তারিত