চেয়ারম্যান গনসালো অমর! নিপীড়িত জনতার মুক্তি সংগ্রামে তিনি বেঁচে আছেন এবং বেঁচে থাকবেন!

নিপীড়িত জনতার মুক্তি সংগ্রামে তিনি বেঁচে আছেন এবং বেঁচে থাকবেন

ইতিহাস কখনো ভোলে না তাদের নাম, যারা দমন-পীড়ন ও শোষণের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়েছিল, যারা সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও মাথা নত করেনি। তাঁদের একজন হলেন পেরুর জনগণের যুদ্ধের নেতা, মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদ শিক্ষার দৃঢ় রক্ষক চেয়ারম্যান গনসালো। তাঁর নাম শুধু পেরুর জনগণের স্মৃতিতেই নয়, বরং সব নিপীড়িত মানুষের চেতনায় প্রতিরোধ ও বিশ্বাসের প্রতীক হিসেবে খোদাই হয়ে আছে।

চেয়ারম্যান গনসালো তাঁর জীবনভর জনগণের মুক্তির জন্য সবচেয়ে দৃঢ় সংগ্রাম করেছেন। কারাগারে বন্দি হলেও, নিঃসঙ্গতা ও নির্যাতনের শিকার হলেও, তিনি কখনো বিপ্লবী লক্ষ্য থেকে এক মুহূর্তও বিচ্যুত হননি। বিশ্বের সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও তিনি মুষ্টি উঁচু করে জনগণ ও বিপ্লবের প্রতি তাঁর অটল বিশ্বাস ঘোষণা করেছেন। তাঁর এই অবস্থান সাম্রাজ্যবাদ ও অলিগার্কির বিরুদ্ধে লড়াইরত সব জনগণের জন্য এক বিশাল প্রেরণা হয়ে উঠেছিল।

চেয়ারম্যান গনসালো মৃত্যুর দ্বারা পরাজিত হননি; বরং তাঁর চিন্তা ও সংগ্রামের মধ্য দিয়ে তিনি বেঁচে আছেন। তাঁর রেখে যাওয়া ঐতিহ্য কেবল সশস্ত্র সংগ্রামের অভিজ্ঞতায় সীমাবদ্ধ নয়। এটি একইসাথে মার্কসবাদ-লেনিনবাদ-মাওবাদের বিকাশ, বিপ্লবী তত্ত্ব ও প্রয়োগের সমন্বয় এবং জনগণের নিজের শক্তির প্রতি আস্থার গুরুত্ব।

আজ পৃথিবীর সর্বত্র জনগণ সাম্রাজ্যবাদ ও দালাল শাসকদের চাপে নিপীড়িত হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে গনসালো’র পথ ও শিক্ষা সংগ্রামীদের পথ আলোকিত করছে। তিনি প্রমাণ করেছেন যে জনগণ নিজের ভাগ্য নিজের হাতে নিলে বিপ্লব কেবল সম্ভব নয়, বরং অনিবার্য।

চেয়ারম্যান গনসালো’র স্মৃতি কেবল একটি স্মরণ নয়; এটি একটি আহ্বান। সংগ্রাম চালিয়ে যাওয়ার, মাথা নত না করার, সবচেয়ে কঠিন সময়েও বিপ্লবী আদর্শ থেকে বিচ্ছিন্ন না হওয়ার আহ্বান। তাঁর জীবন আমাদের শিক্ষা দেয়: একজন প্রকৃত নেতা আত্মসমর্পণের নয়, বরং প্রতিরোধের প্রতীক।

আজ তাঁর মৃত্যুবার্ষিকীতে আমরা নিপীড়িত জনগণের পক্ষ থেকে আবারো উচ্চারণ করছি:
চেয়ারম্যান গনসালো অমর! নিপীড়িত জনতার মুক্তি সংগ্রামে তিনি বেঁচে আছেন এবং বেঁচে থাকবেন!

3 comments

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন