লালদিয়া চুক্তির টাইমলাইন
৪ নভেম্বর: এপিএম টার্মিনালসের প্রস্তাব দাখিল।
৫ নভেম্বর: কারিগরি প্রস্তাব মূল্যায়ন।
৬ নভেম্বর: আর্থিক প্রস্তাব মূল্যায়ন।
৯ নভেম্বর: বন্দর ও এপিএম টার্মিনালসের মধ্যে নেগোসিয়েশন। (৭–৮ নভেম্বর ছুটির দিনে নেগোসিয়েশন হয়েছে বলে অভিযোগ)
৯ নভেম্বর: বন্দর বোর্ড সভায় অনুমোদন।
১০–১১ নভেম্বর: নৌপরিবহন ও আইন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন।
১২ নভেম্বর: অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত উপদেষ্টা কমিটির সভায় অনুমোদনের সুপারিশ।
১৬ নভেম্বর: প্রধান উপদেষ্টার চূড়ান্ত অনুমোদন।
১৬ নভেম্বর: এপিএম টার্মিনালসকে লেটার অব অ্যাওয়ার্ড প্রদান
১৭ নভেম্বর: চুক্তির দিন।”
দেশের অতিগুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত স্থাপনা পশ্চিমা শক্তির হাতে তুলে দেয়া হলো চুক্তির শর্তাদি পর্যালোচনার স্বচ্ছ প্রক্রিয়া অবলম্বন ছাড়াই, গোপনীয়ভাবে রকেট গতিতে!
অভ্যুত্থানে সৃষ্ট ক্ষমতার শূণ্যতা দখল করে নিয়েছে পশ্চিমা শক্তির এজেন্ডা বাস্তবায়নের এজেন্টরা। আমাদের জাতীয় মুক্তি ও জনগণের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াই এবারো অসম্পূর্ণ রয়ে গেল। আমরা চাই বা না চাই, এই গণদুষমনদের বিরুদ্ধে লড়াই অপরিহার্য হয়ে উঠবেই। কিন্তু এবার হবে শেষ লড়াই সচেতন-সংগঠিত লড়াই। রক্তের দামে কেনা বিপ্লব কোন বেঈমানকে বেহাত করতে দেয়া হবে না।

