“গত ২৯ নভেম্বর গাজীপুরে শ্রমিক সমাবেশের প্রস্তুতির সময় শ্রমিক সংগঠক আরমান হোসেনকে সাদা পোশাকের পুলিশ তুলে নিয়ে যায়৷ আরমান হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই শ্রমিক অধিকার নিয়ে কাজ করে আসছেন৷ তিনি স্বৈরাচার হাসিনা বিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ছিলেন।
অথচ শ্রমিকদের ন্যায্য দাবি নিয়ে সমাবেশ করার আগ দিয়ে এই শ্রমিক সংগঠককে হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়৷ উদ্দেশ্য স্পষ্ট, ভয় দেখিয়ে শ্রমিকদের দমিয়ে রাখা, শ্রমিকদের গণতান্ত্রিক অধিকার চর্চার পথ বন্ধ করে দেয়া৷ আমরা অভিযোগ পেয়েছি যে এসময় তাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা হয়, পানি চাইলে সেটাও দেয়া হয় না। এসময় তাকে পরিবারের সাথে কোন রকম যোগাযোগ করতেও দেয়া হয় নি। পরবর্তীতে শ্রমিক-জনতার চাপের মুখে পুলিশ তাকে ছাড়তে বাধ্য হয়।
আমরা মনে করিয়ে দিতে চাই, হাসিনার সরকারও শ্রমিক সংগঠকদের সাদা পোশাকে তুলে নিয়ে যেত৷ শ্রমিকদের ন্যায্য দাবিকে ষড়যন্ত্র বানিয়ে হয়রানি করত৷ কিন্ত দিনশেষে হাসিনা টিকতে পারেনি৷ ছাত্র-শ্রমিক-জনতার লড়াই এর মুখে স্বৈরাচার হাসিনা পালিয়েছে৷
আমরা মনে করিয়ে দিতে চাই যে এই গণঅভ্যুত্থানে শ্রমিকদের অনেক রক্ত ঝড়েছে৷ আরমান হোসেনের মত শ্রমিক সংগঠক সহ অনেকের দীর্ঘদিনের শ্রম রয়েছে আজকের এই গণঅভ্যুত্থানের পিছে৷ তাই শ্রমিকদের উপর নিপীড়ন চালালে শ্রমিকরা সংগঠিত হয়ে পালটা প্রতিরোধ গড়ে তুলবেই৷ শ্রমিকদের উপর জুলুম অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে।”

