গুপ্তবিদ্যায় পারদর্শী জামাত-শিবির কী সরকারের গুপ্ত অংশীদার?

শ্রমিক, অটোরিক্সা চালকদের আন্দোলনে আমরা ষড়যন্ত্রের অভিযোগ উঠতে দেখেছি। সম্প্রতি হিন্দু সম্প্রদায়ের বিক্ষোভ এবং ছাত্রদের মারামারিতেও ষড়যন্ত্র আলোচনায় আসছে। ভারত ও ফ্যাসিবাদের শেকড় যেহেতু উপড়ে যায়নি, সুতরাং এসব অভিযোগ চট করে উড়িয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। কিন্তু যখন অহিংস গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের মাস খানেক আগে ঘোষিত ঋণ প্রত্যাশী গ্রাম-শহরের দরিদ্র জনসাধারণের সমাবেশ কর্মসূচি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু ”শিক্ষার্থি” ও প্রশাসনের তৎপরতায় ”ষড়যন্ত্র নস্যাতের” নামে পণ্ড হলো তখন একটা খটকা লাগে। এই শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক পরিচয় কি তা খতিয়ে দেখা দরকার। আজ রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের কৃষক সমাবেশও ষড়যন্ত্রের অজুহাতে হামলা করে পণ্ড করে দেয়া হলো। রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের নেতারা দাবি করেছেন এটা জামাত-শিবির করেছে। আর জামাতের বিবৃতি বলে দিচ্ছে সরকার ও সরকারের অংশীদার বাদে রাষ্ট্র সম্পর্কে আর কারো কিছু করা বা বলার চেষ্টাকে তারা হামলাযোগ্য মনে করে। এই চিন্তা ও তৎপরতা নিঃসন্দেহে ফ্যাসিবাদী। এই সব হামলায় ২টি প্রশ্ন উত্থাপন করা যায়: ষড়যন্ত্র তত্ত্ব কি জনগণ-দমনের ফ্যাসিবাদী হাতিয়ারে পরিণত হচ্ছে? গুপ্তবিদ্যায় পারদর্শী জামাত-শিবির কী সরকারের গুপ্ত অংশীদার? জবাব চাই!

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন