ভোটের বাজারে পতিত আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের বাজার দর খুব ভালো। কারণ তারাই এখন বিক্রয়যোগ্য একমাত্র ”রেডিমেড ক্ষমতা”।

বিএনপি, জামাত, জাতীয় নাগরিক কমিটি সবাই পুনর্বাসনের বিনিময়ে তাদের ঘরে তুলতে চায়। এ নিয়ে রীতিমত প্রতিযোগীতা চলছে এসব দলের মধ্যে। শ্রেণীভিত্তি এক ও অভিন্ন হলে যা হয়- তাদের ক্ষমতাকে আপনি মসনদ থেকে সরাবেন আর আত্মীকরণ করে নেবেন, কিন্তু ধ্বংস করবেন না কখনো। এই পরিবর্তন হলো গ্রুপ অব কম্পানির শেয়ারহোল্ডারদের মধ্যে এমডি পদ পরিবর্তন আর লভ্যাংশ বণ্টনের হিস্যা নিয়ে বিরোধের মত। এই পরিবর্তনের অর্থ শ্রমিকের হাতে কোম্পানির মালিকানা আনা নয়।

সব পরিবর্তনই কিন্তু বিপ্লব না, ভাইসব। শেয়ার মালিকদের মধ্যে এমডি পরিবর্তন আর লভ্যাংশ বণ্টনের হিস্যা নিয়ে নতুন বন্দোবস্তের নাম হলো সংস্কার। কম্পানির শ্রেণী মালিকানার পরিবর্তন হলো বিপ্লব।

সংস্কারে জনগণের স্বার্থ নাই। কৃষক, শ্রমিক, নিপীড়িত জাতি ও জনগণের হাতে অর্থনীতি ও রাষ্ট্রের মালিকানা আনাই- বিপ্লব। এই বিপ্লবই জনগণের একমাত্র মুক্তির পথ।

শাসক-শোষকদের সংস্কারবাদী দলগুলি অতীতেও বারবার জনগণের আকাঙক্ষা, শহীদের রক্তের বেঈমানী করেছে। পতিত স্বৈরাচার, গণহত্যাকারীদের পুনর্বাসিত করেছে। জনগণের গণতন্ত্র ও জাতীয় স্বাধীনতার বদলে বারবার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে নতুন স্বৈররাচার, ফ্যাসিবাদ।

এবারও তারা বেঈমানী করতে বাধ্য। দিন দিন তা পরিষ্কার হচ্ছে, আরো হবে।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন