এদেশের মুসলিম যুগ যুগ ধরে ইসলাম পালন করছেন, কখনো তাদের ধর্মকে হেফাজতের প্রয়োজন হয় নাই। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের দালাল সৌদি পেট্রোডলারে পরিপুষ্ট এই মাদ্রাসা মালিকরা দরিদ্র মাদ্রাসা ছাত্রদের দাসত্বের বুনিয়াদের ওপর আজ “সবল” হয়েছে। এই মোল্লাতন্ত্র শাপলা চত্বরে মাদ্রাসা ছাত্র-শিক্ষকদের রক্ত পায়ে দলে খুনী হাসিনাকে কওমী জননী ঘোষণা করেছিল। এই হেফাজতের নেতারা ২৪ জুলাই ফ্যাসিস্ট হাসিনার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বাড়িতে দেখা করে সমর্থন জানিয়ে এসেছিল, তারা এখন সবচেয়ে বড় ফ্যাসিস্টবিরোধী! এই ভণ্ড মোল্লারা নাকি ইসলামের হেফাজত করবে!
মদিনায় ইসলাম প্রতিষ্ঠার কয়েক শত বছর পর হুজুর শ্রেণী মোল্লাতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করেছিল। ইসলাম চর্চার জন্য কখনোই মোল্লাতন্ত্র অপরিহার্য নয়। ইসলাম পালন আর মোল্লাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা এক জিনিস নয়। এদেশের মুসলিম মোল্লাতন্ত্র কায়েম করতে চায় না, তারা নির্বিঘ্নে শান্তিপূর্ণভাবে একান্তে ধর্মপালন করতে চায়। এই অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আমরা সবসময় সামনের কাতারে আছি। কিন্তু মাদ্রাসা মালিকদের মোল্লাতন্ত্রকে অবশ্যই প্রতিহত করতে হবে।

