‘ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের পর অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী সকল গণতান্ত্রিক শক্তির মতামতের ভিত্তিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের জন্যে বাম গণতান্ত্রিক জোট, ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা ও বাংলাদেশ জাসদের পক্ষ থেকে দাবি জানানো হয়েছিলো। কিন্তু, ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী কোনো বামপন্থী রাজনৈতিক দলের সাথে কোনো মহল এ ব্যাপারে যোগাযোগ করেনি। বামপন্থীরা শুরু থেকেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনের বিরুদ্ধে লাগাতার আন্দোলন করে আসছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সব কর্মসূচি বাস্তবায়নে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলে সাধ্যানুযায়ী ভূমিকা রেখেছে। বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলো ছাত্রদের আন্দোলনের প্রতি সমথর্ন জানিয়েছে। তবুও, গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের ব্যাপারে দেশের বামপন্থী শক্তির মতামত গ্রহণ না করা আমাদের কাছে অপ্রত্যাশিত। যেহেতু অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের প্রক্রিয়ার সাথে বামপন্থীরা কোনোভাবেই যুক্ত নয়, তাই বঙ্গভবনে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা অংশগ্রহণ না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ছাত্র-জনতার গৌরবময় গণঅভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা ধারণ করে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা অবিচল থাকবে।’
বঙ্গভবনে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে ফ্যাসিবাদবিরোধী বাম মোর্চা অংশগ্রহণ করবে না

