পদ নিয়ে কামড়াকামড়ির মূলে জনগণের স্বার্থে কাজ করবার তাগিদ থাকে না,থাকে যশ, ক্ষমতা এবং অর্থের জন্য ব্যক্তি ও ক্ষুদ্রগোষ্ঠী স্বার্থ।

জনগণের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়েই কেবল এই ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থ উদ্ধার হতে পারে।যেসব রাজনৈতিক দল গণবিরোধী রাষ্ট্র ক্ষমতার অংশীদার এবং এই ক্ষমতার জোরে ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর জন্য যশ, ক্ষমতা, অর্থের সুযোগ বিতরণ করতে সক্ষম, সেই দলগুলোতে এই কামড়াকামড়ি বেশি। এমন কি অর্থের বিনিময়ে পদ বিক্রির ঘটনাও একটা সাধারণ নিয়ম।

নতুন এই ছাত্র সংগঠন কিংবা নতুন দলের খসড়ারূপেও কোন নীতি-কর্মসূচির কোন হদিস নেই। তাহলে তারা ঠিক কিসের ভিত্তিতে এই দল সংগঠিত করছে? সংগঠন যদি নীতি ও কর্মসূচির ভিত্তিতে গড়ে না ওঠে, তখন তা নীতিহীন সুবিধাবাদীদের দঙ্গলে পরিণত হয়। সেই সুবিধাবাদের প্রদর্শনী ক্রমাগত প্রকট না হয়ে পারে না। যারা নিজেদের মধ্যকার বিরোধ হামলা, মারামারি ছাড়া মীমাংসা করতে পারেনা, তারা ভিন্নমতের সাথে কতটা গণতান্ত্রিক আচরণ করতে সক্ষম হবে, সেটা এতেই বোঝা যায়।

ফ্যাসিবাবিরোধী অভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারী ব্যপক ছাত্র জনতার সাথে, তাদের আকাঙ্ক্ষার সাথে এই সুবিধাবাদী দঙ্গলের কোন সম্পর্ক থাকতে পারে না।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন