ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে রাজনীতি নিষিদ্ধ করেছে সিন্ডিকেট।

আদতে রাজনীতির নামে সন্ত্রাস, দখলতো ফ্যাসিস্ট জাতীয় রাজনীতিরই অঙ্গ। তারই প্রকাশ ঘটত ক্যাম্পাসের ফ্যাসিস্ট গুন্ডাবাহিনীর চর্চায়। বন্ধ করার দরকার ছিল এই ফ্যাসিস্ট দলগুলোকে জাতীয়ভাবে এবং ক্যাম্পাসেও। সেটাই ন্যায্য কাজ হতো।

কিন্তু বন্ধ করা হলো “ছাত্র রাজনীতি”। আসলে বন্ধ করা হচ্ছে “গণতান্ত্রিক রাজনীতি” — যা বরাবর ফ্যাসিস্টদের আক্রমণের মূল লক্ষ্যবস্তু ছিল এবং এখনো আছে।

ফ্যাসিস্টদের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গণতান্ত্রিক রাজনীতি চর্চা ছিল বলেই ৫২, ৬২, ৬৬, ৬৮, ৬৯, ৭১, ৮৩, ৮৫, ৮৭, ৯০, ৯৮, ০২, ০৮, ১৮ এমন কি ২৪-এর গণতান্ত্রিক সংগ্রাম সম্ভব হয়েছে।

গণভিত্তিহীন ফ্যাসিস্ট শক্তিগুলো জানে ১৯৯০ কিংবা ২০০৮ সালে, এমন কি এই ২০২৪- এ কোন বর্শামুখ তাদের ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। তাই বর্শামুখগুলো ভোঁতা করে দাও, অকেজো করে দাও–
রাজনীতি বন্ধ করার নামে গণতান্ত্রিক রাজনীতিকে খতম করার তৃতীয় শক্তির এই পুরোনো রাজনৈতিক অভিপ্রায়টা আমরা বুঝি। আমরা বুঝি তাদের রাজনীতিকে আনচ্যালেঞ্জড রাখতে হলে এটা খুব দরকারি। কিন্তু যারা বুঝতে অপারগ অথবা বুঝেও বুঝতে চান না– তাদের শুভ বুদ্ধির উদয় হোক!

শিক্ষাঙ্গণে সন্ত্রাস দখলের রাজনীতি বন্ধ কর, গণতান্ত্রিক রাজনীতির পথ মুক্ত কর!

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন