দীঘিনালায় জাতিগত হামলা-অগ্নিসংযোগ চলছে। পাহাড় থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবিতে বিরাট সমাবেশ-মিছিল হতে না হতেই এই হামলা বিশেষ তাৎপর্য বহন করে।

ইজরায়েলী কায়দায় জনমিতিক কারসাজি আর গণহত্যার মধ্য দিয়ে ক্ষুদ্র জাতিসত্তাগুলোর জাতীয় আত্মনিয়ন্ত্রণের গণতান্ত্রিক অধিকার দমিয়ে রেখে; বাংলাদেশে ‘গণতন্ত্র ও বৈষম্যমুক্তির’ আলাপ পরিহাস ছাড়া কিছু নয়। আর কেউ যদি সাম্রাজ্যবাদের দালাল ফ্যাসিস্ট শাসকশ্রেণীর দল-উপদলগুলোর মধ্যে রাষ্ট্র ও অর্থনীতির ভারসামপূর্ণ অন্তর্ভূক্তিমূলক পুনর্বিন্যাস বা সংস্কারকে ‘নিপীড়িত জাতি ও জনগণের হাতে ক্ষমতা ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার’ সাথে গুলিয়ে ফেলেন, তিনি বোকার স্বর্গে বাস করছেন। কারণ এই হামলা নির্যাতন অগ্নিসংযোগ রাষ্ট্রীয় মদদ ছাড়া হতে পারে না। সুতরাং এর দায়-দায়িত্ব সেনাসমর্থিত সরকারকে নিতে হবে।

আমাদের লড়াই এখনো শেষ হয়নি। আসুন, গণতান্ত্রিক লড়াইকে জোরদার করি, আওয়াজ তুলি: অবিলম্বে এই হামলা-অগ্নি সংযোগ বন্ধ, হামলার ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত, হামলাকারীদের বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। ক্ষতিগ্রস্তদের ক্ষতিপূরণ এবং আহতদের সুচিকিৎসার দায়িত্ব সরকারকে নিতে হবে। সর্বোপরি, দেশের সকল ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাগুলোর ন্যায়সঙ্গত দাবি মেনে জাতীয় আত্মনিয়ণাধিকারের পূর্ণ স্বীকৃতি দিতে হবে।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন