“শিবির ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি দিয়েছিল, আমি শক্তভাবে অপোজ করছি, ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হলে কাদের লাভ, সেটা তো আমি জানি। তারা এই দাবীতেও গোঁ ধরে ছিলেন। পরে আমার শক্ত অবস্থানের প্রেক্ষিতে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের দাবী আসে।”
আব্দুল কাদের
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক
শিবিরের এজেন্ডা হলো ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করা। যাতে তারা গোপন পদ্ধতিতে ক্যাম্পাসে আধিপত্য বিস্তার করতে পারে।
লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র রাজনীতি বিরোধিতা করে বৈবিছাআ এবং জানাক, মূলত গণতান্ত্রিক ছাত্র শক্তি। এটা পপুলিস্ট দাবি। এটা সাম্রাজ্যবাদের দালাল সুশীল সমাজেরও (তৃতীয় শক্তি) দাবি ছিল।
লেজুড়বৃত্তি বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য কোন মানদণ্ড নয়। সুনির্দিষ্টভাবে সন্ত্রাস, ভিন্নমত প্রকাশে বাধাদান, হামলা, যৌননিপীড়ন, নীতি পুলিশগিরি, শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, সিট দখল, জবরদস্তি সংগঠন করতে ছাত্রদের চাপ প্রদান, নারী-ধর্ম-বর্ণ বিদ্বেষ ছড়ানো ইত্যাদি অগণতান্ত্রিক তৎপরতার সাথে যুক্ত সংগঠন ও ব্যক্তিকে ছাত্র রাজনীতি থেকে নিষিদ্ধ করতে হবে। করতে হবে নির্দিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণের ভিত্তিতে।

