গত ডিসেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববাজারে সয়াবিন তেলের গড় দাম ছিল লিটারপ্রতি ১২৮ টাকা। একই সময়ে বাংলাদেশের বাজারে তা ছিল ১৬৮ টাকা। একইভাবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে যে চিনি কেজিপ্রতি ৪১ টাকায় বিক্রি হয়েছে, বাংলাদেশে তা ছিল ১২৬ টাকা।
চালের বাজার নিয়ে একটি অনুসন্ধানমূলক জরিপ তুলে ধরে সিপিডি। তাতে দেখা যায়, কৃষক যে চালের দাম পান কেজিপ্রতি ৩৩ টাকা, যা খুচরা পর্যায়ে ৬৫ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়। অর্থাৎ কৃষকের কাছ থেকে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে চালের দাম দ্বিগুণ হয়ে যায়। সিপিডি বলছে, চাল সরবরাহ–ব্যবস্থায় অসংখ্য বাজার প্রতিনিধি রয়েছেন। হাতবদলেই দাম বাড়ে। সবচেয়ে বেশি মুনাফা করে মিলগুলো।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে আনার ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকার চাঁদাবাজি ও মজুতদারি মোকাবিলায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারেনি বলে মনে করে সিপিডি।- প্রথম আলো, ৩০ জানুয়ারি ২০২৫

