এই মুহূর্তে অস্থিতিশীলতা অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী শক্তিকেই শক্তিশালী করবে। এটা যুগপৎ ভারত ও তার দালাল আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এবং সরকার ও ধর্মবাদী শক্তির ফ্যাসিকরণ শক্তিশালী করতে পারে।

এই মুহূর্তে অস্থিতিশীলতা অগণতান্ত্রিক ও ফ্যাসিবাদী শক্তিকেই শক্তিশালী করবে। এটা যুগপৎ ভারত ও তার দালাল আওয়ামী ফ্যাসিবাদ এবং সরকার ও ধর্মবাদী শক্তির ফ্যাসিকরণ শক্তিশালী করতে পারে। তাই জনগণকে সতর্ক পাহাড়া রাখতে হবে। সবধরনের উসকানি ও দাঙ্গা-হাঙ্গামাকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা ও প্রতিহত করতে হবে।

এ অস্থিতিশীলতার অন্যতম উৎস হলো রাষ্ট্র ও সমাজের সর্বস্তরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের অস্তিত্ব। মার্কিন সাম্রাজ্যবাদ ও সেনা মদদপুষ্ট তৃতীয় শক্তির এই সরকার এই বিষাক্ত আগাছা লালন করে চলেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সক্রিয় না হয়ে পরোক্ষে ইন্ধন দেয়ার সাথে জড়িত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তাদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।

স্থিতিশীলতা ধ্বংসের আরেক উৎস হলো উগ্রধর্মবাদী গোষ্ঠীগুলো। মাজার ভাঙ্গা, সাম্প্রদায়িক হামলা, উসকানি ইত্যাদির মধ্যদিয়ে তারা অস্থিতিশীলতা তৈরী করছে । অথচ সরকারই তাদের ছত্রছায়া দিচ্ছে। এই সমর্থন প্রদান অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে এবং দায়িদের বিচারের সম্মুখীন করতে হবে।

পরিস্থিতি স্থিতিশীল করার একটি সোজা উপায় হলো জনগণের ন্যায়সঙ্গত দাবি-দাওয়া মেনে নেয়া। তাই সরকারকে অবিলম্বে এডভোকেট আলিফ হত্যার সাথে জড়িতদের গ্রেফতার করতে হবে। মোস্তফা আমিন ও ইসকন নেতাকে মুক্তি দিতে হবে। ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুদের দাবিসমূহ সুরাহার উদ্যোগ নিতে হবে। শ্রমিক-কৃষক-জনগণের সংগঠন-সমাবেশ ও মতপ্রকাশের ওপর বাধা প্রদান বন্ধ করে, তাদের দাবিসমূহ মেনে নিতে হবে।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন