“অগ্নিঝরা গণ-অভ্যুত্থানের দিনগুলোয় যখন পাকিস্তানি শাসকের গুলিতে প্রতিনিয়ত রক্ত ঝরছিল স্বাধীনতাকামী ছাত্রদের বুক থেকে, তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ শিক্ষক শামসুজ্জোহা ১৯৬৯ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি এক শিক্ষক সভায় বলেছিলেন, ‘আজ আমি ছাত্রদের রক্তে রঞ্জিত। এরপর কোনো গুলি হলে তা ছাত্রকে না লেগে যেন আমার গায়ে লাগে।’ ঠিক তার পরদিনই বিক্ষুব্ধ ক্যাম্পাসে ছাত্র মিছিলের সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তিনি। বুক পেতে নিয়েছিলেন ঘাতকের তপ্ত বুলেট। আর অংশ হয়ে গেলেন ইতিহাসের।

অধ্যাপক শামসুজ্জোহার শহীদ হওয়ার ৫৫ বছর পর তাঁর আত্মনিবেদনের সেই বাণীর উদ্ধৃতি দিয়ে নিজের ফেসবুক পাতায় পোস্ট দিয়েছিলেন রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের দ্বাদশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি লিখেছেন, ‘স্যার! এই মুহূর্তে আপনাকে ভীষণ দরকার, স্যার! ‘আপনার সমসাময়িক সময়ে যাঁরা ছিলেন, সবাই তো মরে গেছেন, কিন্তু…

বিস্তারিত

শিক্ষার্থীরা কেউ কি রাজাকারদের নাতি-পুতিদের জন্য কোটা দাবি করেছে?

লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের সাথে এইসব তামাসা করা বন্ধ করুন! ২০১৮ সালেও শিক্ষার্থীরা মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল চায়নি। তারা যৌক্তিক সংস্কার চেয়েছিল। কিন্তু আপনি নিজেই কি ‍মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল কোটা বাতিলের নির্দেশ দেননি? সম্প্রতি আপনার মন্ত্রীরাও বলেছে, তারা আন্দোলনকারীদের দাবির সাথে একমত, আদালতের এখতিয়ারে চলেও যাওয়ায় সরকার কিছু করতে পারছে না।…

বিস্তারিত

মসনদ টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে ভারতের কাছে দেশবন্ধক দেয়া আওয়ামী ফ্যাসিবাদ প্রায় পুতুল সরকারে পরিণত হয়েছে!

মসনদ টিকিয়ে রাখার বিনিময়ে ভারতের কাছে দেশবন্ধক দেয়া আওয়ামী ফ্যাসিবাদ প্রায় পুতুল সরকারে পরিণত হয়েছে!

বিস্তারিত

প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

আঞ্চলিক শক্তি ও উন্নত দেশ হয়ে ওঠার লক্ষ্যে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে ভারতীয় সম্প্রসারণবাদের নিজের স্ট্র্যাটেজির প্রধান প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ হলো ”ইন্দো-প্যাসিফিক ওসেন ইনিশিয়েটিভ”। বাংলাদেশ এই সংস্থায় যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাকে সফরকালে স্বাগত জানিয়েছে মোদী। অর্থাৎ এক্ষেত্রে চীন ও মার্কিন উদ্যোগগুলো থেকে দূরে রেখে বাংলাদেশকে এককভাবে ভারতের স্ট্র্যাটেজির অনুসারিতে পরিণত…

বিস্তারিত

প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

ভারতের রণনীতির অন্যতম লক্ষ্য হলো এ অঞ্চলে এবং বিশেষত বাংলাদেশে উদীয়মান সাম্রাজ্যবাদী চীনের ক্রমবর্ধমান আধিপত্যকে রোধ ও খর্ব করা, যাতে বাংলাদেশকে একাধিপত্যমূলক পশ্চাদভূমিতে পরিণত করা যায়। ফলে সমুদ্র নিরাপত্তা, সমুদ্র অর্থনীতি, মহাকাশের মত সম্ভাব্য ক্ষেত্রগুলোতেই নয়, ইতিমধ্যে যেসব ক্ষেত্রে চীন প্রবেশ করেছে, সেখানে ভারত পাল্টা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।ভারত…

বিস্তারিত

প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

সম্প্রসাণবাদী ভারতের স্ট্র্যাটেজিক লক্ষ্য হলো ২০৪৭ সালের মধ্যে উন্নত দেশ এবং আঞ্চলিক শক্তি হয়ে ওঠা। এই লক্ষ্য অর্জনের অপরিহার্য শর্ত হলো আঞ্চলিক রাজনৈতিক, সামরিক, অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে উদীয়মান সাম্রাজ্যবাদী চীনের ক্রমবর্ধমান অনুপ্রবেশ সর্বাত্মকভাবে খর্ব করে নিজের দখল কায়েম করা। শেখ হাসিনার সফর ও চুক্তি-সমঝোতার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে ভারতের সেই জাতীয়…

বিস্তারিত

প্রসঙ্গ: শেখ হাসিনার ভারত সফর

ভারতের জাতীয় ভিশন ও স্ট্র্যাটিজি অর্জনের জন্য কেবল প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নয়, আঞ্চলিক সমুদ্র নিরাপত্তা, সমুদ্র অর্থনীতি, মহাকাশ, ডিজিটাল ও টেলিকমিউনিকেশনের ক্ষেত্রগুলোতেও চীনকে ঠেকিয়ে ভারতের দখল কায়েম জরুরী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে, চীনের সাথে বাংলাদেশের ২০১৫ সালে করা চুক্তিগুলোর আওতায় এসব ক্ষেত্রে প্রবেশাধিকার পেতে চীনও চাপ সৃষ্টি করছে। তাই…

বিস্তারিত