লাখ লাখ শিক্ষার্থীদের সাথে এইসব তামাসা করা বন্ধ করুন! ২০১৮ সালেও শিক্ষার্থীরা মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিল চায়নি। তারা যৌক্তিক সংস্কার চেয়েছিল। কিন্তু আপনি নিজেই কি মুক্তিযোদ্ধাসহ সকল কোটা বাতিলের নির্দেশ দেননি? সম্প্রতি আপনার মন্ত্রীরাও বলেছে, তারা আন্দোলনকারীদের দাবির সাথে একমত, আদালতের এখতিয়ারে চলেও যাওয়ায় সরকার কিছু করতে পারছে না। এখন হঠাৎসুর পাল্টে রাজাকারের নাতিপুতিরা কোটা পাবে কিনা- এই অবান্তর প্রশ্ন তোলার অর্থ কী? এই বক্তব্যে কেবল শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক দাবি ও আকাঙক্ষার প্রতি আপনাদের ঘৃণা ও বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের মনোভাবই প্রকাশ পাচ্ছে।
টালবাহানা, হাসি-তামাসা বন্ধ করে অবিলম্বে আইনি প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে এসে কোটা সংস্কারের সিদ্ধান্তের স্পষ্ট ঘোষণা দিন!

