এই চিন্তায় নতুন রূপে ফ্যাসিবাদ বিকাশের বীজ লুকানো আছে কিনা, ভেবে দেখা দরকার।

এই চিন্তায় নতুন রূপে ফ্যাসিবাদ বিকাশের বীজ লুকানো আছে কিনা, ভেবে দেখা দরকার।

ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে গণতান্ত্রিক অধিকার হিসাবে চর্চা করলে- সেটা “আওয়ামী-ভারতী ইসলামবিরোধী সেক্যুলারিজম” থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্ম ইসলামকে অবাধ পালনের সুযোগ করে দেবে, রাষ্ট্র ও সমাজে ধর্মীয় রূপের দ্বন্দ্ব অবৈরী রূপ পেলে জনগণের ঐক্য সংহত হবে। সে ঐক্য ধর্মবাদী যেকোন বাইরের আক্রমণকে রুখে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

কিন্তু খোদ নির্দিষ্ট ধর্ম/ ইসলাম চর্চাকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সাথে যুক্ত করার অর্থ হলো তাকে রাষ্ট্রের মধ্যে বিশেষাধিকার দেয়া কেবল নয়, রীতিমত মতাদর্শে পরিণত করা। কৌশলগতভাবে যতই ইনক্লুসিভনেসের আওয়াজ তোলা হোক না কেন, অন্তর্গতভাবে এই চিন্তা অপরায়ন অনিবার্য করে তুলবে; রাষ্ট্রে ধর্মবাদী ও তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক শক্তির বিভক্তি ও নিপীড়ন জোরদার করবে। এটা জনগণের ঐক্যকে বিনষ্ট করে বহিঃশত্রুর কাছে অসহায় করে তুলবে। সবচেয়ে গুরুতর হলো এই চিন্তা সভ্যতাভিত্তিক রাষ্ট্রকেন্দ্রিক এক জিঙ্গোইজম বিকশিত করবে। ইতিহাস বলে এইসব জিঙ্গোইজমই সংকটগ্রস্ত ক্ষুদে ও মধ্যশ্রেণীর মধ্যে ফ্যাসিবাদী আন্দোলন বিকাশের মতাদর্শগতভিত্তি রচনা করে।
S3

ধর্ম পালনের স্বাধীনতাকে গণতান্ত্রিক অধিকার হিসাবে চর্চা করলে- সেটা “আওয়ামী-ভারতী ইসলামবিরোধী সেক্যুলারিজম” থেকে সংখ্যাগরিষ্ঠের ধর্ম ইসলামকে অবাধ পালনের সুযোগ করে দেবে, রাষ্ট্র ও সমাজে ধর্মীয় রূপের দ্বন্দ্ব অবৈরী রূপ পেলে জনগণের ঐক্য সংহত হবে। সে ঐক্য ধর্মবাদী যেকোন বাইরের আক্রমণকে রুখে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

কিন্তু খোদ নির্দিষ্ট ধর্ম/ ইসলাম চর্চাকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সাথে যুক্ত করার অর্থ হলো তাকে রাষ্ট্রের মধ্যে বিশেষাধিকার দেয়া কেবল নয়, রীতিমত মতাদর্শে পরিণত করা। কৌশলগতভাবে যতই ইনক্লুসিভনেসের আওয়াজ তোলা হোক না কেন, অন্তর্গতভাবে এই চিন্তা অপরায়ন অনিবার্য করে তুলবে; রাষ্ট্রে ধর্মবাদী ও তার বিপরীতে গণতান্ত্রিক শক্তির বিভক্তি ও নিপীড়ন জোরদার করবে। এটা জনগণের ঐক্যকে বিনষ্ট করে বহিঃশত্রুর কাছে অসহায় করে তুলবে। সবচেয়ে গুরুতর হলো এই চিন্তা সভ্যতাভিত্তিক রাষ্ট্রকেন্দ্রিক এক জিঙ্গোইজম বিকশিত করবে। ইতিহাস বলে এইসব জিঙ্গোইজমই সংকটগ্রস্ত ক্ষুদে ও মধ্যশ্রেণীর মধ্যে ফ্যাসিবাদী আন্দোলন বিকাশের মতাদর্শগতভিত্তি রচনা করে।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন