গত কয়েক দশকে সিপিবি এবং এনজিও সংস্থার মধ্যে একটা মার্জার ঘটেছে।

গত কয়েক দশকে সিপিবি এবং এনজিও সংস্থার মধ্যে একটা মার্জার ঘটেছে। এনজিও পরিচালনার জন্য সিপিবি-র সংগঠন ও প্রতিষ্ঠা একসময় ভিত্তি হিসাবে কাজ করেছে। আর সিপিবি-র অর্থ-লোকবলের যোগান দিয়েছে এনজিও। এনজিও সংশ্লিষ্টতা নিয়ে সিপিবি দুটি বড় উপদলে বিভক্তই ছিল। এর একটি প্রধানত প্রত্যক্ষ এনজিও লবি, অপরটি প্রধানত পার্টি আমলাতন্ত্র লবি। পার্টি আমলাতন্ত্র এনজিও থেকে সুবিধা নেয়াকে অনুমোদন করলেও, এনজিও লবির পার্টি কেন্দ্র দখলের বিরোধী ছিল। কিন্তু এখন এই এনজিও লবিই পার্টি বস হয়ে বসেছে। পুরোনো পার্টি আমলাতন্ত্র এই পদচ্যুতি মেনে নিতে পারছেনা। ফলে বিরোধ প্রকাশ্যে আসতে শুরু করেছে। এনজিও প্রশ্নকে তারা সামনে আনছেন।

ক্বাফি রতন বলছেন- বিপ্লবী পার্টির কর্মসূচি সমাবেশে এনজিও সমাবেশ লজ্জাজনক। আমরা তাঁকে বলব আসলে কোন “বিপ্লবী পার্টি” র কর্মসূচিতে এনজিও দ্বারা সমাবেশ ঘটারই কথা নয়। প্রশ্নটা লজ্জা-শরমের প্রশ্ন নয়- খোদ পার্টির বিপ্লবী চরিত্রের প্রশ্ন। এনজিও সমাবেশ বরং প্রমাণ করে- এই পার্টি বিপ্লবী নয়। একে বিপ্লবী জ্ঞান করা আর লজ্জা পাওয়া দুটোই ভ্রান্তি।

মাওসেতুঙ বলেছিলেন, কমিউনিস্টদের অবশ্যই সৎ হতে হবে। কমিউনিস্ট নয়, কথা ও কাজে ন্যুনতম সুসঙ্গতি রক্ষা করতে চান, এমন লোকের পক্ষে সিপিবি করা সম্ভব নয়।

কমিউনিজমের মহান আদর্শকে, তার লাল পতাকাকে এই পার্টির মত নোংরা খুব কম পার্টিই করেছে।

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন