অভ্যুত্থানকারী তারুণ্যঅভ্যুত্থানের অর্জনকে রক্ষা করুন!স্বাধীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সংগঠিত হোন! মেহনতি জনগণকে সংগঠিত করতে এগিয়ে আসুন!অভ্যুত্থানকে বিপ্লবে পরিণত করুন!

অভ্যুত্থানকারী তারুণ্য
অভ্যুত্থানের অর্জনকে রক্ষা করুন!
স্বাধীন গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ গড়তে সংগঠিত হোন! মেহনতি জনগণকে সংগঠিত করতে এগিয়ে আসুন!
অভ্যুত্থানকে বিপ্লবে পরিণত করুন!

৫৩ বছরে ফ্যাসিবাদী-স্বৈরাচারী দমন-পীড়নে দেশের শ্রমিক-কৃষক-মেহনতি ছাত্র-জনতা পেশাগত কি রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হতে পারে নাই। কি চাই, কি চাই না, কি ধ্বংস করে কি গঠন করব, তার স্পষ্ট ধারনা এবং সংগঠন ছাড়াই ছাত্র-জনতাকে যে অভ্যুত্থান করতে হয়েছে, সেটা ফ্যাসিবাদী দমন-পীড়নেরই ফল।

আজ অভ্যুত্থান পরবর্তী সরকারে অভ্যুত্থানকারী ছাত্র-জনতার বিশেষত শ্রমিক, প্রবাসী শ্রমিক, কৃষক, সৈনিক, মেহনতি জনতার প্রতিনিধি অনুপস্থিত, এমন কি ছাত্র সমন্বয়করাও যে সাংগঠনিকভাবে ব্যাপক ছাত্র জনতার প্রতিনিধিত্ব ও জবাবদিহিতার আওতায় নন- তার কারণও অবদমিত ছাত্রদেন সংগঠনহীনতার ফল।

তারই ফলে আজ গুলির মুখে বুক পেতে দাঁড়ানো তারুণ্যের গণঅভ্যুত্থানে হাসিনা ফ্যাসিবাদ গদীচ্যুত হলে, সেই শূণ্যতা পূরণ করেছে, ছাত্র-জনতা-সৈনিক নয়, দারিদ্র্য ব্যাবসায়ী ও সাম্রাজ্যবাদী আদলে রাষ্ট্র সংস্কারের জন্য ভাড়াখাটা এনজিও, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, গণবিরোধী এই রাষ্ট্রের সাবেক সামরিক-বেসামরিক আমলা আর অগণতান্ত্রিক শক্তির প্রতিনিধিরা। আর এই পরিস্থিতি গণ অভ্যুত্থানের অর্জন বেহাত করার জন্য যথেষ্ট।

গণঅভ্যুত্থানের ফসল জনগণের জন্য সংরক্ষণ করা যেতে পারে কেবল মাত্র – যতদূর সম্ভব প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ ও মতামতের ভিত্তিতে জনগণের আকাঙ্খাকে সচেতন সনদ ও কর্মসূচিতে পরিণত করে, তার ভিত্তিতে রাজনৈতিক ও অন্যান্যভাবে সচেতন ও সংগঠিত হওয়ার মাধ্যমে এই অভ্যুত্থানকে বিপ্লবের দিকেই এগিয়ে নিয়ে। এছাড়া স্বাধীন-গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ আবারো একটা কথারকথায় পরিণত হবে।

যারা গণঅভ্যুত্থানের ফলকে বেহাত ও আত্মসাৎ করতে চায়, তারাই ছাত্রদের অরাজনৈতিক কাজে ঠেলে দিয়ে, জনগণকে অসংগঠিত রেখে, রাষ্ট্র ও সরকারে প্রত্যক্ষ প্রতিনিধিত্ব বঞ্চিত করে, জনগণকে কেবল ক্রয়যোগ্য ভোটারে পরিণত করে, জনগণের নামে সরকার ও রাষ্ট্র পরিচালনা করতে চায়।

এদের সমস্ত অপপ্রয়াস ভাসিয়ে দিতে হলে ছাত্র-তরুণদের নতুন এক গণজোয়ার আনতে হবে। তা হলো জনগণের সর্বস্তরের আকাঙ্ক্ষার সনদ ও সংগঠন গড়ে তোলার জোয়ার। শত শত শহীদের রক্তের সাথে বেঈমানী করবেনা বলে যারা গুলির মুখে পিছু হটেনি, সেই তরুণরা কখনো পিছু হটতে পারে না!

আপনার মূল্যবান মন্তব্য লিখুন